Healthcare

All Healthcare News

প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি নয়! কড়া বার্তা CDSCO-র, চিকিৎসকদেরও ‘প্রথমেই হাই ডোজ নয়’ নির্দেশ
Healthcare

প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি নয়! কড়া বার্তা CDSCO-র, চিকিৎসকদেরও ‘প্রথমেই হাই ডোজ নয়’ নির্দেশ

জ্বর-সর্দি-কাশিতে নিজের মতো করে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার প্রবণতা ঠেকাতে আরও কড়া অবস্থান নিল কেন্দ্রীয় ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা। Central Drugs Standard Control Organisation বা CDSCO-র নির্দেশিকায় প্রেসক্রিপশন ছাড়া নির্দিষ্ট শ্রেণির অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রির নিয়ম কঠোরভাবে মানার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের Drug Control কর্তৃপক্ষকেও বিষয়টি জানানো হয়েছে বলে খবর। একইসঙ্গে চিকিৎসকদের ক্ষেত্রেও বার্তা—প্রয়োজন না থাকলে অ্যান্টিবায়োটিক নয়, আর প্রয়োজন হলেও শুরুতেই অকারণে শক্তিশালী বা উচ্চমাত্রার ওষুধ বেছে নেওয়া উচিত নয়। কারণ অপ্রয়োজনীয় ব্যবহারে বাড়ছে antimicrobial resistance বা অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ ক্ষমতা।

নিউটাউনে ২০০০ শয্যার ‘আদানি আরোগ্য মন্দির’, ১০০০ বেডে বিনামূল্যে চিকিৎসা
Healthcare

নিউটাউনে ২০০০ শয্যার ‘আদানি আরোগ্য মন্দির’, ১০০০ বেডে বিনামূল্যে চিকিৎসা

নিউটাউনে তৈরি হতে চলেছে আদানি গোষ্ঠীর ২০০০ শয্যার অত্যাধুনিক হাসপাতাল ‘আদানি আরোগ্য মন্দির’। বৃহস্পতিবার প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আদানি গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান গৌতম আদানি-সহ সংস্থার শীর্ষ কর্তারা। প্রস্তাবিত হাসপাতালের ২০০০টি বেডের মধ্যে ১০০০টি আর্থিকভাবে দুর্বল ও দরিদ্র রোগীদের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসার ক্ষেত্রে বরাদ্দ থাকবে বলে রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হয়েছে। বাকি ১০০০টি বেড বাণিজ্যিক পরিষেবার আওতায় থাকবে।

ডেঙ্গুর দাপটের মধ্যেই বড় খবর, ২০২৭-এ বাজারে আসতে পারে টিকা! ট্রায়ালের ফল জানাল ICMR
Healthcare

ডেঙ্গুর দাপটের মধ্যেই বড় খবর, ২০২৭-এ বাজারে আসতে পারে টিকা! ট্রায়ালের ফল জানাল ICMR

পুজোর মুখে রাজ্যজুড়ে বাড়ছে ডেঙ্গুর উদ্বেগ। আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে নজরদারি বাড়িয়েছে স্বাস্থ্যদপ্তর। এর মধ্যেই স্বস্তির খবর শোনাল ICMR। রবিবার কলকাতায় সংস্থার ডিজি জানিয়েছেন, ডেঙ্গুর প্রস্তাবিত টিকার দ্বিতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালের ফল আশাব্যঞ্জক। বর্তমানে তৃতীয় পর্যায়ের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চলছে। সব পরীক্ষা সফল হলে এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রয়োজনীয় অনুমোদন মিললে ২০২৭ সালের ডেঙ্গুর মরশুম শুরুর আগেই, অর্থাৎ আগস্ট-সেপ্টেম্বর নাগাদ টিকা বাজারে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

জেনেরিক ওষুধ কি সত্যিই ব্র্যান্ডেডের সমান? দাম কম হওয়ার আসল কারণ কি?
Healthcare

জেনেরিক ওষুধ কি সত্যিই ব্র্যান্ডেডের সমান? দাম কম হওয়ার আসল কারণ কি?

একই মলিকিউল, অথচ দামে আকাশ-পাতাল পার্থক্য—জেনেরিক ওষুধ নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে এমন প্রশ্ন প্রায়ই ওঠে। কম দাম মানেই কি কম কার্যকারিতা? নাকি গবেষণা ও বিপণনের খরচের পার্থক্যের কারণেই জেনেরিক ওষুধ সস্তা? চিকিৎসকের মতে, শুধু দামের ভিত্তিতে কোনও ওষুধের মান বিচার করা ঠিক নয়। জেনেরিক ওষুধ অনুমোদনের আগে নির্দিষ্ট মানদণ্ড পূরণ করতে হয়। তবে ওষুধের গুণমান, উৎপাদন প্রক্রিয়া এবং কোয়ালিটি কন্ট্রোলের বিষয়টিও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

ভুয়ো ডিগ্রিতে চিকিৎসা, স্বাস্থ্যসাথীর টাকারও অভিযোগ! ২ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্যদপ্তরে নালিশ
Healthcare

ভুয়ো ডিগ্রিতে চিকিৎসা, স্বাস্থ্যসাথীর টাকারও অভিযোগ! ২ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্যদপ্তরে নালিশ

ভিন রাজ্যের মেডিক্যাল ডিগ্রি জাল করে পশ্চিমবঙ্গে চিকিৎসা করার অভিযোগ উঠল দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে। তাঁদের পশ্চিমবঙ্গ মেডিক্যাল কাউন্সিলের রেজিস্ট্রেশন নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে প্রাইভেট হসপিটাল অ্যান্ড নার্সিং হোম অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনের দাবি, বিহার মেডিক্যাল কাউন্সিলের নথি যাচাই করে সংশ্লিষ্ট দুই চিকিৎসকের ডিগ্রির সত্যতা নিয়ে আপত্তিকর তথ্য পাওয়া গিয়েছে। তাঁদের চিকিৎসায় রোগীমৃত্যু এবং সরকারি স্বাস্থ্য প্রকল্পের অর্থের অপব্যবহারের অভিযোগও রয়েছে। তদন্ত করে দোষ প্রমাণিত হলে রেজিস্ট্রেশন বাতিল এবং ফৌজদারি মামলা করার দাবি জানিয়ে স্বাস্থ্যদপ্তরে চিঠি দিয়েছে সংগঠন।

রেজিস্ট্রেশন আছে, MBBS-ই পড়েননি! বাংলায় ৫০০ ভুয়ো ডাক্তার নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ
Healthcare

রেজিস্ট্রেশন আছে, MBBS-ই পড়েননি! বাংলায় ৫০০ ভুয়ো ডাক্তার নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ

নামের পাশে MBBS, MD। রয়েছে মেডিক্যাল রেজিস্ট্রেশন নম্বরও। অথচ অভিযোগ, তাঁদের কেউ ডাক্তারির প্রবেশিকা পরীক্ষাতেই বসেননি, কেউ আবার মেডিক্যাল কলেজে পড়াশোনাও করেননি। ভিনরাজ্যের জাল ডিগ্রি দেখিয়ে পশ্চিমবঙ্গ মেডিক্যাল কাউন্সিল থেকে রেজিস্ট্রেশন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কয়েকশো চিকিৎসকের বিরুদ্ধে। বেসরকারি হাসপাতাল ও নার্সিংহোম সংগঠনের দাবি, এমন ভুয়ো চিকিৎসকের সংখ্যা রাজ্যে প্রায় ৫০০ হতে পারে। প্রতি প্রার্থীর কাছ থেকে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা নেওয়া হয়েছে বলেও সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে।

Advertisement
#6
Advertisement
#7
Advertisement
#8
Advertisement
#9
Advertisement
#10