শুভেন্দু অধিকারীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে শনিবার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে উপস্থিত ছিলেন টলিউডের একাধিক পরিচিত মুখ। মিঠুন চক্রবর্তী, রুদ্রনীল ঘোষ, রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, পাপিয়া অধিকারী, শর্বরী মুখোপাধ্যায়দের পাশাপাশি নজর কাড়েন অভিনেতা জিৎ, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় ও যিশু সেনগুপ্ত।
সবচেয়ে বেশি আলোচনা শুরু হয়েছে জিৎ-কে ঘিরে। সাধারণত কোনও রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে তাঁকে দেখা যায় না। রাজনীতি থেকে দূরত্ব বজায় রাখতেই তিনি স্বচ্ছন্দ বলে মনে করেন তাঁর ঘনিষ্ঠরা। প্রকাশ্যে রাজনৈতিক মন্তব্যও খুব একটা করেন না তিনি। ফলে ব্রিগেডে তাঁর উপস্থিতির পর থেকেই টলিউডে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। অনেকে মনে করছেন, বিজেপির জয়ের পর শুভেচ্ছা জানানোর পরে এবার প্রকাশ্যে অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে।
অন্যদিকে, চলতি বছর পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হয়েছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। সেই সূত্রেই তাঁকে বিশেষ আমন্ত্রণ জানিয়েছিল বিজেপি। যদিও অভিনেতার ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, তিনি সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গেই সৌজন্যের সম্পর্ক বজায় রাখেন। সম্প্রতি ফলপ্রকাশের পর রুদ্রনীল ঘোষের সঙ্গে তাঁর কথোপকথন নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছিল। যদিও প্রসেনজিৎ স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, “আমার গায়ে কোনও রাজনৈতিক রং লাগাবেন না।”
এদিন ব্রিগেডে উপস্থিত ছিলেন পদ্মশ্রী মমতা শংকর, অভিনেতা যিশু সেনগুপ্ত, পায়েল সরকার, ঋষি কৌশিক, পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তী, পণ্ডিত তেজেন্দ্রনারায়ণ মজুমদার-সহ আরও বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি। রাজনৈতিক পালাবদলের পর টলিপাড়ার তারকাদের ভূমিকা নিয়েও শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা।



