Home/Entertainment/হাসপাতালে গিয়ে মিঠুন চক্রবর্তীর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু, ‘মহাগুরু’ এখন স্থিতিশীল
Advertisement
#16
Advertisement
#17
Advertisement
#18
Advertisement
#19
Advertisement
#20

হাসপাতালে গিয়ে মিঠুন চক্রবর্তীর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু, ‘মহাগুরু’ এখন স্থিতিশীল

অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি বর্ষীয়ান অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীকে দেখতে শুক্রবার সকালে পৌঁছে গেলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বাইপাস সংলগ্ন একটি বেসরকারি হাসপাতালে গিয়ে অভিনেতার সঙ্গে দেখা করেন তিনি। চিকিৎসকদের সঙ্গেও কথা বলে মিঠুনের শারীরিক পরিস্থিতির খোঁজ নেন মুখ্যমন্ত্রী। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিনেতার অস্ত্রোপচার হয়েছে এবং বর্তমানে তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল। খুব শীঘ্রই তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হতে পারে।

Joyjit Sengupta

Joyjit Sengupta

Author from Orange Prime News

Aug 7, 2026
•5 min read•
36
Share:
হাসপাতালে গিয়ে মিঠুন চক্রবর্তীর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু, ‘মহাগুরু’ এখন স্থিতিশীল

বর্ষীয়ান অভিনেতা তথা ‘মহাগুরু’ মিঠুন চক্রবর্তীর অসুস্থতার খবর পেয়ে তাঁকে দেখতে হাসপাতালে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার সকালে বাইপাসের ধারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে পৌঁছে অভিনেতার সঙ্গে দেখা করেন তিনি। সঙ্গে ছিলেন যাদবপুরের বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায়-সহ কয়েকজন জনপ্রতিনিধি।

হাসপাতালে গিয়ে মিঠুন চক্রবর্তীর শারীরিক অবস্থার বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চান মুখ্যমন্ত্রী। চিকিৎসকদের সঙ্গেও কথা বলেন তিনি। অস্ত্রোপচারের পর অভিনেতার বর্তমান পরিস্থিতি কেমন, চিকিৎসা কীভাবে চলছে—সেই সমস্ত বিষয়ে খোঁজ নেন শুভেন্দু।

পরে হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, মিঠুন চক্রবর্তী বাংলার অন্যতম গর্ব। তাঁর সঙ্গে সাক্ষাতের ক্ষেত্রে কোনও রাজনৈতিক পরিচয় প্রাসঙ্গিক নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। শুভেন্দুর কথায়, মিঠুন একজন শিল্পী হিসেবে বাংলার সম্পদ এবং তাঁর অবদান অনস্বীকার্য।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, মিঠুনের একটি ছোট অস্ত্রোপচার হয়েছে এবং বর্তমানে তিনি ভালো আছেন। চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে তাঁর দ্রুত আরোগ্যের বিষয়ে আশাবাদী বলেও জানান তিনি।

শুভেন্দু অধিকারী নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও মিঠুন চক্রবর্তীর সঙ্গে সাক্ষাতের ছবি প্রকাশ করেন। সেখানে তিনি অভিনেতার দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, মিঠুন চক্রবর্তীর হাতে অস্ত্রোপচার হয়েছে। চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন তিনি। আপাতত তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগের কোনও কারণ নেই। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী এক-দু’দিনের মধ্যেই তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হতে পারে।

প্রসঙ্গত, মিঠুন চক্রবর্তী দীর্ঘদিন ধরে বাংলা তথা ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতের অন্যতম জনপ্রিয় মুখ। অভিনয় জীবনে একাধিক ভাষার ছবিতে কাজ করে তিনি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে পরিচিতি পেয়েছেন। তাঁর অভিনয়, নাচ এবং স্বতন্ত্র স্টাইল তাঁকে দর্শকদের কাছে আলাদা পরিচিতি দিয়েছে।

রাজনীতির ক্ষেত্রেও গত কয়েক বছরে সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছেন মিঠুন। একসময় তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত থাকার পর পরে তিনি বিজেপিতে যোগ দেন। এরপর বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে তাঁকে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে দেখা যায়।

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও বিজেপির হয়ে প্রচারে অংশ নিয়েছিলেন মিঠুন। বয়স ও শারীরিক সমস্যাকে উপেক্ষা করে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে প্রচার, সভা এবং রোড শো করেছেন তিনি। প্রচারের মাঝেই একাধিকবার অসুস্থতার খবর সামনে এলেও রাজনৈতিক কর্মসূচি থেকে নিজেকে সরিয়ে নেননি অভিনেতা।

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে মিঠুনের সম্পর্কও সাম্প্রতিক সময়ে আলোচনায় এসেছে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর শুভেন্দু নিউটাউনে মিঠুনের বাড়িতে গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করেছিলেন। এবার অসুস্থতার খবর পেয়েই হাসপাতালে গিয়ে তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

রাজনৈতিক মহলের মতে, মিঠুন চক্রবর্তীকে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক আবহেও আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। তবে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে স্পষ্ট, এই সাক্ষাৎকে তিনি শুধুমাত্র রাজনৈতিক সম্পর্কের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে চাননি। একজন প্রবীণ শিল্পীর প্রতি সম্মান ও শুভেচ্ছা জানাতেই তিনি হাসপাতালে গিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন।

মিঠুন চক্রবর্তীর অনুরাগীরাও তাঁর দ্রুত সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করছেন। সামাজিক মাধ্যমে ইতিমধ্যেই অসংখ্য শুভেচ্ছাবার্তা আসতে শুরু করেছে। দীর্ঘ অভিনয় জীবনে দর্শকদের যে ভালোবাসা তিনি পেয়েছেন, অসুস্থতার সময়ও তারই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে।

চিকিৎসকদের মতে, বর্তমানে তাঁর অবস্থা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও বিশ্রামের পর দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবেন বলেই আশা করা হচ্ছে।

Advertisement
#6
Advertisement
#7
Advertisement
#8
Advertisement
#9
Advertisement
#10