অন্যদিকে, University of Burdwan, University of Kalyani ও University of North Bengal-এর অধীন কলেজগুলিতে ইতিমধ্যেই অড সেমেস্টারের (প্রথম, তৃতীয় ও পঞ্চম) পরীক্ষা শেষ হয়ে গিয়েছে। Vidyasagar University-তেও বেশিরভাগ পরীক্ষাই সম্পন্ন।
এই অসম সময়সূচির ফলে একই রাজ্যে পড়াশোনার গতি ও মান নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। শিক্ষামহলের মতে, এক–এক বিশ্ববিদ্যালয়ের আলাদা একাডেমিক ক্যালেন্ডার উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
ভোটের নিরাপত্তার কারণে বহু কলেজে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ক্যাম্প হওয়ায় পরীক্ষার সূচি পিছিয়ে গেছে। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় ইতিমধ্যেই ১৩ এপ্রিলের পর নির্ধারিত প্রথম সেমেস্টারের পরীক্ষা স্থগিত রাখার কথা জানিয়েছে। অন্যদিকে, West Bengal State University এখনও পরীক্ষার দিনক্ষণই নির্ধারণ করতে পারেনি।
শিক্ষক মহলের একাংশের দাবি, এই অনিশ্চয়তা ভবিষ্যতে বড় সমস্যা তৈরি করতে পারে। অনেক অভিভাবক সরকারি কলেজের বদলে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে ঝুঁকতে পারেন। কারণ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা যখন তৃতীয় সেমেস্টারের পড়া শুরু করে দিচ্ছে, তখন কলকাতা ও রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা দ্বিতীয় সেমেস্টারও শুরু করতে পারছে না।
শিক্ষকদের মতে, প্রায় প্রতি বছরই নির্বাচন হয় এবং তার সময়ও আগেই জানা থাকে। তা সত্ত্বেও আগাম পরিকল্পনার অভাবে এই সমস্যা তৈরি হচ্ছে। এর ফলে পড়ুয়ারা মানসিকভাবে হতাশ হয়ে পড়ছে এবং অনেক ক্ষেত্রে ইয়ার লসের আশঙ্কাও তৈরি হচ্ছে।
এই পরিস্থিতিতে শিক্ষাবিদদের একাংশ অভিন্ন একাডেমিক সূচির দাবি তুলেছেন। তাঁদের মতে, গোটা রাজ্যে একই সময়সূচিতে পরীক্ষা ও ফল প্রকাশ নিশ্চিত করতে উচ্চশিক্ষা পরিষদের দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।



