দেশজুড়ে সরকারি মেডিক্যাল কলেজের তুলনায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা দ্রুত গতিতে বাড়ছে। কিন্তু পুরোনো নিয়মের কারণে বেসরকারি কলেজগুলিতে এমডি-এমএস আসন বাড়ানো সহজ ছিল না। শিক্ষকের সংখ্যা না বাড়িয়ে আসন বৃদ্ধির সুযোগ ছিল না বললেই চলে। সেই সমস্যা সমাধানে এ বার সংশোধিত 'পোস্ট গ্র্যাজুয়েট মিনিমাম স্ট্যান্ডার্ড রিকোয়্যারমেন্ট' বা পিজিএমএসআর নির্দেশিকায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন নিয়মে একজন অধ্যাপক এখন সর্বোচ্চ তিনজন স্নাতকোত্তর পড়ুয়াকে গাইড করতে পারবেন, যা আগে ছিল মাত্র দু'জন।
নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, কমপক্ষে পনেরো বছরের পুরোনো এবং দশ বছর ধরে পিজি কোর্স চালু রয়েছে এমন বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজগুলি এখন থেকে সরকারি কলেজের সমান মানদণ্ডে বিবেচিত হবে। অ্যাসোসিয়েট প্রফেসরের ক্ষেত্রে শিক্ষক-ছাত্র অনুপাত থাকবে ১:২। তবে ডিএম-এমসিএইচ সুপার স্পেশালিটি কোর্সে সরকারি ও বেসরকারি উভয় ক্ষেত্রে একই অনুপাত বজায় রাখা হয়েছে।
স্বাস্থ্য শিক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সিদ্ধান্তে দীর্ঘদিন ধরে পিজি কোর্স পরিচালনাকারী বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলি উপকৃত হবে এবং ভবিষ্যতে উচ্চশিক্ষার আসন বাড়ানোও সহজ হবে। তবে এনএমসি জানিয়েছে, শুধু শিক্ষক-ছাত্র অনুপাত নয়, হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা, রোগীর চাপ এবং সামগ্রিক পরিকাঠামোও আসন নির্ধারণে বিবেচিত হবে।



