সর্বভারতীয় মেডিক্যাল প্রবেশিকা পরীক্ষা নিট-ইউজি ২০২৬ বাতিল হওয়ার পর তদন্তে নেমে বড় সাফল্য পেল রাজস্থান পুলিশের স্পেশ্যাল অপারেশন গ্রুপ (এসওজি)। তদন্তকারী সূত্রে খবর, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় ইতিমধ্যেই ১৫ জনকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের অধিকাংশকেই রাজস্থানের সীকর জেলা থেকে আটক করা হয়েছে।
অন্যদিকে জয়পুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে মণীশ নামে এক ব্যক্তিকে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, তিনিই গোটা চক্রের ‘মূলচক্রী’। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, পরীক্ষার আগেই বিভিন্ন সমাজমাধ্যমে প্রশ্নপত্র ঘুরতে শুরু করেছিল। সেই সূত্র ধরেই তদন্ত শুরু হয়।
তদন্তকারীরা মনে করছেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের কেন্দ্রবিন্দু হতে পারে রাজস্থানের সীকর জেলা। গোটা চক্রের সঙ্গে আরও কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই বহু ডিজিটাল তথ্য ও আর্থিক লেনদেনের নথি সংগ্রহ করা হয়েছে।
উল্লেখযোগ্যভাবে, ২০২৪ সালেও নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে দেশজুড়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। তখন ঝাড়খণ্ডের হাজারিবাগের একটি স্কুল থেকে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ উঠেছিল। সিবিআই তদন্তে উঠে এসেছিল, অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রশ্নপত্রের বাক্স খুলে তা বাইরে পাচার করা হয়েছিল। পরে ‘সলভার’ চক্রের মাধ্যমে সেই প্রশ্নপত্র ও উত্তর লক্ষ লক্ষ টাকার বিনিময়ে পরীক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হত।
ঠিক একই ধরনের অভিযোগ ফের সামনে আসতেই এ বার পরীক্ষা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয় ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (এনটিএ)। কেন্দ্র ইতিমধ্যেই গোটা ঘটনার তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিয়েছে। নতুন করে পরীক্ষার দিনক্ষণ পরে ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছে এনটিএ।



