Home/India/কারগিল বিজয় দিবসে শহিদদের শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী, সেনার বীরত্বকে কুর্নিশ
Advertisement
#16
Advertisement
#17
Advertisement
#18
Advertisement
#19
Advertisement
#20

কারগিল বিজয় দিবসে শহিদদের শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী, সেনার বীরত্বকে কুর্নিশ

কারগিল বিজয় দিবস উপলক্ষে দেশের বীর সেনাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রবিবার এক বার্তায় তিনি বলেন, দেশের নিরাপত্তায় ভারতীয় সেনাবাহিনীর সাহস, আত্মত্যাগ ও কর্তব্যনিষ্ঠা চিরকাল জাতির গর্ব হয়ে থাকবে। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুও কারগিলের শহিদদের স্মরণ করে তাঁদের অসামান্য অবদানের কথা তুলে ধরেছেন।

Joyjit Sengupta

Joyjit Sengupta

Author from Orange Prime News

Jul 26, 2026
5 min read
9
Share:
কারগিল বিজয় দিবসে শহিদদের শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী, সেনার বীরত্বকে কুর্নিশ

রবিবার ২৬ জুলাই দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে কারগিল বিজয় দিবস। ১৯৯৯ সালের কারগিল যুদ্ধে আত্মবলিদানকারী ভারতীয় সেনাদের স্মরণে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এই উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু শহিদ জওয়ানদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত বার্তায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারতীয় সেনাবাহিনী যে সাহস, নিষ্ঠা ও আত্মত্যাগের পরিচয় দিয়েছে, তার জন্য গোটা দেশ তাঁদের কাছে কৃতজ্ঞ। প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও সেনাদের বীরত্ব ও কর্তব্যবোধ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুও কারগিল যুদ্ধের শহিদদের স্মরণ করে বলেন, তাঁদের অসাধারণ সাহস, অদম্য মনোবল এবং দেশপ্রেম ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর গৌরবময় ঐতিহ্যের প্রতীক। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তাঁদের আত্মত্যাগ চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে বলেও তিনি বার্তায় উল্লেখ করেন।

কারগিল বিজয় দিবস প্রতি বছর ২৬ জুলাই পালন করা হয়। ১৯৯৯ সালে লাদাখের কারগিল অঞ্চলে পাকিস্তানি সেনা ও অনুপ্রবেশকারীদের দখলদারির বিরুদ্ধে ভারতীয় সেনাবাহিনী 'অপারেশন বিজয়' পরিচালনা করে। প্রায় আড়াই মাসের কঠিন লড়াইয়ের পর ২৬ জুলাই ভারত দখলমুক্ত করে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সব শৃঙ্গ পুনর্দখল করতে সক্ষম হয়। সেই ঐতিহাসিক বিজয়ের স্মরণেই দিনটি কারগিল বিজয় দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯৯ সালের ১৩ মে থেকে ২৬ জুলাই পর্যন্ত চলা যুদ্ধে ভারতের ৫২৭ জন সেনা শহিদ হন এবং ১,৩৬৩ জন আহত হন। অন্যদিকে পাকিস্তানের সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, তাদের ৪০০ সেনা নিহত, ৬৬৫ জন আহত এবং ৮ জন যুদ্ধবন্দি হন।

উল্লেখযোগ্যভাবে, কারগিল সংঘাতের কয়েক মাস আগেই ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে 'সদা-এ-সরহদ' বাস পরিষেবা চালু হয়েছিল। সেই উদ্যোগের অংশ হিসেবে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ী লাহোর সফরও করেছিলেন। তবে পরবর্তীতে কারগিলে সংঘাতের ফলে দুই দেশের সম্পর্ক ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং শুরু হয় পূর্ণাঙ্গ সামরিক অভিযান।

কারগিল বিজয় দিবস উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে শহিদ স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ, বিশেষ অনুষ্ঠান এবং বীর সেনাদের স্মরণে নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

Tags:India
Advertisement
#6
Advertisement
#7
Advertisement
#8
Advertisement
#9
Advertisement
#10