২০২৫ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুরের লাজারস দ্বীপের কাছে সমুদ্রে ডুবে মৃত্যু হয় ৫২ বছর বয়সী জুবিনের। আদালত জানিয়েছে, সেদিন অতিরিক্ত মদ্যপানের পর প্রথমবার লাইফ জ্যাকেট পরে জলে নামলেও দ্বিতীয়বার তা পরতে অস্বীকার করেন তিনি, এবং সেই কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটে। মৃত্যুর পেছনে কোনো ষড়যন্ত্রের প্রমাণ মেলেনি বলেও স্পষ্ট জানিয়েছে আদালত।
জুবিনের স্ত্রী গরিমা এবং তাঁর পরিবার দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছিলেন যে এই মৃত্যুর নেপথ্যে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র রয়েছে। আদালতের রায়ে সেই অভিযোগ সম্পূর্ণ খারিজ হয়ে গেল। রায়দানের সময় সিঙ্গাপুরে উপস্থিত ছিলেন জুবিনের কাকা মনোজ বরঠাকুর এবং রাহুল গৌতম শর্মা।
তবে আদালতের এই রায় মেনে নিতে রাজি নন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। তাঁর দাবি, আদালত স্বীকার করেছে জুবিন মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন, আর এটাই প্রমাণ করে যে পরিকল্পিতভাবে তাঁকে মদ পান করানো হয়েছিল। অমৃতপ্রভাই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে শিল্পীকে মদ খাইয়েছিলেন বলেও অভিযোগ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, সিঙ্গাপুর আদালতের এই রায় তাঁদের মামলাকে আরও শক্তিশালী করবে।
ফলে আদালতের রায়ে আইনি জল্পনার অবসান হলেও রাজনৈতিক ও পারিবারিক বিতর্ক এখনই থামছে না বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।



