জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দুপুরে নিমতার একটি ব্যাঙ্কে কাজে গিয়েছিলেন উৎসব। মৌপিয়া জানিয়েছেন, ব্যাঙ্কের কাজের জন্য ওটিপি আসবে বলে উৎসবের মূল ফোনটি ছিল স্ত্রীর কাছে। পরিচালক অন্য একটি ফোন নিয়ে গিয়েছিলেন। তিনি আরও জানিয়েছেন, বেশ কিছুদিন ধরে সাইবার ক্রাইম সংক্রান্ত একটি সমস্যায় জড়িয়ে পড়েছিলেন উৎসব, যা নিয়ে তিনি চিন্তায় ছিলেন। বিয়ের পর মৌপিয়া আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং পুলিশকেও বিষয়টি জানান।
ইতিমধ্যে আনন্দপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন মৌপিয়া। ফোন নম্বর ট্র্যাক করে জানা গেছে, উৎসবের ফোনটি শেষবার উল্টোডাঙা স্টেশনের কাছাকাছি সক্রিয় ছিল, তারপরই বন্ধ হয়ে যায়। স্ত্রীর ধারণা, যানজট এড়াতে সম্ভবত ট্রেনে করে ফিরছিলেন পরিচালক। পুলিশ জানিয়েছে, শুক্রবারের মধ্যে উৎসবের খোঁজ না মিললে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু হবে।



