Home/India/বাণিজ্যিক এলপিজিতে বড় স্বস্তি, এক ধাক্কায় কমল ১৭৪ টাকা! অপরিবর্তিত গৃহস্থালির সিলিন্ডারের দাম
Advertisement
#16
Advertisement
#17
Advertisement
#18
Advertisement
#19
Advertisement
#20

বাণিজ্যিক এলপিজিতে বড় স্বস্তি, এক ধাক্কায় কমল ১৭৪ টাকা! অপরিবর্তিত গৃহস্থালির সিলিন্ডারের দাম

জুলাই মাসের শুরুতেই স্বস্তির খবর পেল হোটেল, রেস্তরাঁ এবং অন্যান্য বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান। ১৯ কেজির বাণিজ্যিক এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক ধাক্কায় ১৭৪ টাকা কমিয়েছে তেল বিপণন সংস্থাগুলি। ফলে কলকাতায় নতুন দাম দাঁড়িয়েছে ৩,০৮১.৫০ টাকা। তবে সাধারণ গৃহস্থের জন্য ব্যবহৃত ১৪.২ কেজির রান্নার গ্যাসের দামে কোনও পরিবর্তন হয়নি। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দামের ওঠানামা এবং সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতির প্রেক্ষিতেই এই মূল্য সংশোধন করা হয়েছে।

Joyjit Sengupta

Joyjit Sengupta

Author from Orange Prime News

Jul 1, 2026
5 min read
43
Share:
বাণিজ্যিক এলপিজিতে বড় স্বস্তি, এক ধাক্কায় কমল ১৭৪ টাকা! অপরিবর্তিত গৃহস্থালির সিলিন্ডারের দাম

নতুন মাসের শুরুতেই বাণিজ্যিক এলপিজি ব্যবহারকারীদের জন্য বড় স্বস্তির ঘোষণা এল। ১ জুলাই থেকে ১৯ কেজির বাণিজ্যিক এলপিজি সিলিন্ডারের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো হয়েছে। কলকাতায় এই সিলিন্ডারের দাম কমেছে ১৭৪ টাকা, ফলে নতুন মূল্য দাঁড়িয়েছে ৩,০৮১ টাকা ৫০ পয়সা।

তবে গৃহস্থালির রান্নার জন্য ব্যবহৃত ১৪.২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দামে কোনও পরিবর্তন হয়নি। কলকাতায় এই সিলিন্ডারের দাম আগের মতোই ৯৬৮ টাকা রয়েছে।

প্রতি মাসের প্রথম দিন আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দামের প্রবণতা, আমদানি ব্যয় এবং অন্যান্য অর্থনৈতিক সূচকের ভিত্তিতে এলপিজির নতুন দাম ঘোষণা করে তেল বিপণন সংস্থাগুলি। সেই নিয়ম মেনেই জুলাই মাসে বাণিজ্যিক গ্যাসের দামে বড় কাটছাঁট করা হয়েছে।

গত কয়েক মাসে ধারাবাহিকভাবে বাণিজ্যিক এলপিজির দাম বেড়েছিল। বছরের শুরু থেকেই ব্যবসায়ীদের উপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়েছিল।

জানুয়ারি মাসে ১৯ কেজির বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম ১১১ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছিল। ফেব্রুয়ারিতে আরও ৪৯ টাকা, মার্চে ৩১ টাকা এবং এপ্রিলে পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাতের আবহে এক ধাক্কায় ২১৮ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছিল।

এরপর মে মাসেও মূল্যবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত ছিল। জুন মাসেও আরও ৫৩ টাকা দাম বাড়ানো হয়। ফলে হোটেল, রেস্তরাঁ, ক্যাটারিং সংস্থা এবং ছোট ব্যবসাগুলির পরিচালন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।

জুলাই মাসে সেই ধারার অবসান ঘটিয়ে বড় অঙ্কের মূল্যহ্রাস করা হয়েছে। ফলে বাণিজ্যিক এলপিজি ব্যবহারকারী ব্যবসায়ীদের কিছুটা আর্থিক স্বস্তি মিলবে বলে মনে করা হচ্ছে।

বিশেষ করে ছোট ও মাঝারি রেস্তরাঁ, খাবারের দোকান, মিষ্টির দোকান এবং ক্যাটারিং পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত ব্যবসাগুলির দৈনন্দিন খরচ কমতে পারে। যদিও এই মূল্যছাড়ের প্রভাব শেষ পর্যন্ত ভোক্তাদের কাছে পৌঁছবে কি না, তা নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলির মূল্যনীতির উপর।

কেন্দ্রীয় সরকারের লক্ষ্য, পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতার সময় যে সরবরাহ ব্যবস্থা চাপের মুখে পড়েছিল, তা ধীরে ধীরে স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরিয়ে আনা। সেই উদ্দেশ্যেই এলপিজি সরবরাহ ও মূল্যনীতিতে সামঞ্জস্য আনার চেষ্টা করা হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এবং এলপিজির আমদানি ব্যয়ের উপর দেশের গ্যাসের মূল্য অনেকটাই নির্ভর করে। গত কয়েক মাসে বিশ্ববাজারে অস্থিরতার কারণে মূল্যবৃদ্ধি হয়েছিল। বর্তমানে সেই পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হওয়ায় বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম কমানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে।

তবে গৃহস্থালির রান্নার গ্যাসের ক্ষেত্রে এখনও কোনও পরিবর্তন আনা হয়নি। সাধারণ পরিবারের জন্য ব্যবহৃত ১৪.২ কেজির সিলিন্ডারের দাম আগের অবস্থাতেই রাখা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, গৃহস্থালির এলপিজির দাম পরিবর্তনের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক বাজারের পাশাপাশি কেন্দ্রের ভর্তুকি নীতি, আমদানি ব্যয় এবং অভ্যন্তরীণ মূল্য নির্ধারণের বিষয়গুলিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

ফলে বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম কমলেও সাধারণ রান্নার গ্যাসের ক্ষেত্রে কবে মূল্যহ্রাস হবে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।

বর্তমান সিদ্ধান্তে সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবেন বাণিজ্যিক এলপিজির উপর নির্ভরশীল ব্যবসায়ীরা। দীর্ঘ কয়েক মাসের মূল্যবৃদ্ধির পর জুলাই মাসের এই সংশোধন তাদের পরিচালন ব্যয়ে কিছুটা স্বস্তি এনে দেবে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

Advertisement
#6
Advertisement
#7
Advertisement
#8
Advertisement
#9
Advertisement
#10