শাহিদ ইমামের অভিযোগ, ২০২১ সালে একটি চলচ্চিত্রের জন্য সোহম চক্রবর্তীকে টাকা দিয়েছিলেন তিনি। সেই পাওনার পরিমাণ ৬৮ লক্ষ টাকা। দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও সেই টাকা ফেরত দেননি সোহম। শাহিদ আরও অভিযোগ করেছেন, টাকা ফেরত চাইতে গেলে তাঁকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এই অভিযোগে তিনি আগেই চারু মার্কেট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন।
প্রসঙ্গত, শাহিদ ইমাম ২০২২ সালে শিক্ষায় নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। ২০২৪ সালে জামিন পান তিনি। জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর সোহমের কাছে টাকা ফেরত দাবি করেন। কিন্তু টাকা না পেয়ে এবং হুমকির অভিযোগ নিয়ে শেষমেশ হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন শাহিদ। এই মামলায় সোহমের বক্তব্য জানতে তাঁর সঙ্গে ফোন ও মেসেজে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও বুধবার রাত পর্যন্ত কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।
বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে এই মামলা সোহম চক্রবর্তীর জন্য রাজনৈতিক দিক থেকেও বিড়ম্বনার কারণ হতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। পরবর্তী শুনানিতে আদালত কী নির্দেশ দেয়, সেদিকেই নজর রয়েছে সংশ্লিষ্ট মহলের।



