আইএসসি এবং আইসিএসই পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর এ বার দেশের সেরাদের তালিকায় উজ্জ্বল উপস্থিতি পশ্চিমবঙ্গের ছাত্রছাত্রীদের। সেই সাফল্যের ভিড়েই বিশেষভাবে নজর কেড়েছে ব্যারাকপুরের অনুষ্কা ঘোষ। ৪০০-র মধ্যে ৪০০ নম্বর পেয়ে সে এখন চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে।
যদিও Council for the Indian School Certificate Examinations আনুষ্ঠানিক ভাবে মেধাতালিকা প্রকাশ করে না, তবু বিভিন্ন সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী দেশের প্রথম সারির কৃতীদের তালিকায় রয়েছে একাধিক বাঙালি পড়ুয়ার নাম। তাদের মধ্যেই অন্যতম অনুষ্কা।
শুধু ফল নয়, নিজের স্পষ্ট মতাদর্শের কারণেও আলাদা করে নজরে এসেছে সে। অনুষ্কা নিজেকে ‘বামপন্থী’ বলে পরিচয় দিয়েছে। তার কথায়, ভবিষ্যতে রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার ইচ্ছা রয়েছে। সমাজে পরিবর্তন আনার লক্ষ্যেই সে এগোতে চায়। এই মন্তব্য ঘিরেই শুরু হয়েছে নানা আলোচনা।
অনুষ্কার এই বক্তব্যকে স্বাগত জানিয়েছেন Srijan Bhattacharyya। তিনি বলেন, অনুষ্কার মতো পড়ুয়ারা ভবিষ্যতে সমাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। একই সঙ্গে তার সাফল্যের প্রশংসাও করেন তিনি।
ভবিষ্যতে অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা করার ইচ্ছা রয়েছে অনুষ্কার। পড়াশোনার পাশাপাশি লেখালিখিতেও তার আগ্রহ রয়েছে।
এ বছর আইএসসি-তে আরও এক ছাত্রী ৪০০-য় ৪০০ পেয়ে নজর কেড়েছে— নিউ গড়িয়ার ইলিনা রাজকুমার উদানি। The Heritage School-এর এই ছাত্রী ভবিষ্যতে শিক্ষকতা এবং ইংরেজি সাহিত্য নিয়ে গবেষণার স্বপ্ন দেখছে।
অন্যদিকে, আইসিএসই পরীক্ষায় ৪৯৯ নম্বর পেয়ে সাড়া ফেলেছে রামমোহন মিশনের অর্কদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। পড়াশোনার পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়েও তার আগ্রহ রয়েছে।
জেলার পড়ুয়ারাও পিছিয়ে নেই। বর্ধমানের নীপবীথি দত্ত পেয়েছে ৯৯.৮ শতাংশ নম্বর। পড়াশোনার বাইরে সাহিত্য ও পারিবারিক সময় কাটানোতেই বেশি আগ্রহ তার।
এ বছর আইসিএসই-তে পাশের হার ৯৯.১৮ শতাংশ এবং আইএসসি-তে ৯৯.১৩ শতাংশ। দুই ক্ষেত্রেই ছাত্রদের তুলনায় এগিয়ে রয়েছে ছাত্রীরা। কৃতীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন Mamata Banerjee। তিনি বলেন, এই সাফল্য রাজ্যের গর্ব বাড়িয়েছে।
রিভিউয়ের আবেদন ৪ মে পর্যন্ত করা যাবে এবং জুনের প্রথম সপ্তাহে তার ফল প্রকাশিত হবে।



