Home/International/৩৩৫ কোটিতে ঐতিহাসিক দুর্গ কিনলেন জুকারবার্গ, রান্নাঘর থেকে ডাইনিং রুমে যেতে লাগে প্রায় ৫ মিনিট!
Advertisement
#16
Advertisement
#17
Advertisement
#18
Advertisement
#19
Advertisement
#20

৩৩৫ কোটিতে ঐতিহাসিক দুর্গ কিনলেন জুকারবার্গ, রান্নাঘর থেকে ডাইনিং রুমে যেতে লাগে প্রায় ৫ মিনিট!

মেটার সিইও মার্ক জুকারবার্গের নতুন ঠিকানা এবার আয়ারল্যান্ডের একটি ঐতিহাসিক দুর্গ! প্রায় ৩০ মিলিয়ন ইউরো, অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় আনুমানিক ৩৩৫ কোটি টাকা দামে কেনা এই দুর্গের সঙ্গে রয়েছে ৪৪০ একরের বিশাল এস্টেট। দুর্গটির আয়তন প্রায় ১৬ হাজার বর্গফুট। এতটাই বড় যে রান্নাঘর থেকে ডাইনিং রুমে পৌঁছাতেই দ্রুত পায়ে হাঁটলে প্রায় সাড়ে চার মিনিট সময় লাগে!

Joyjit Sengupta

Joyjit Sengupta

Author from Orange Prime News

Aug 22, 2026
•5 min read•
13
Share:
৩৩৫ কোটিতে ঐতিহাসিক দুর্গ কিনলেন জুকারবার্গ, রান্নাঘর থেকে ডাইনিং রুমে যেতে লাগে প্রায় ৫ মিনিট!

৩০ মিলিয়ন ইউরোয় ঐতিহাসিক দুর্গ

বিশ্বের অন্যতম ধনী ব্যক্তি মার্ক জুকারবার্গ এবার আয়ারল্যান্ডে একটি ঐতিহাসিক দুর্গ কিনেছেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁর স্ত্রী প্রিসিলা চ্যানকে সঙ্গে নিয়ে বেশ কয়েক সপ্তাহ আগেই ‘অফ-মার্কেট’ চুক্তির মাধ্যমে সম্পত্তিটি কেনা হয়েছে বলে খবর।

আয়ারল্যান্ডের Irish Times-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুর্গটির নাম স্ট্র্যানক্যালি ক্যাসল। সম্পত্তিটির সঠিক বিক্রয়মূল্য এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। তবে এর সম্ভাব্য মূল্য ২০ থেকে ৩০ মিলিয়ন ইউরোর মধ্যে বলে জানা যাচ্ছে।

৩০ মিলিয়ন ইউরো ভারতীয় মুদ্রায় আনুমানিক ৩৩৫ কোটি টাকার সমান।

সঙ্গে রয়েছে ৪৪০ একরের বিশাল এস্টেট

শুধু দুর্গই নয়, জুকারবার্গের নতুন সম্পত্তির সঙ্গে রয়েছে প্রায় ৪৪০ একরের বিশাল এস্টেট।

ডাবলিনে মেটার আন্তর্জাতিক সদর দপ্তর থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরে এই দুর্গের অবস্থান। ব্ল্যাকওয়াটার ভ্যালির মনোরম পরিবেশে, ব্ল্যাকওয়াটার নদীর তীরে গড়ে উঠেছে ঐতিহাসিক এই সম্পত্তি।

চারপাশে নদী, সবুজ প্রকৃতি এবং নির্জন পরিবেশ—সব মিলিয়ে ব্যস্ত জীবন থেকে দূরে থাকার জন্য এটি একেবারেই অন্যরকম ঠিকানা।

রান্নাঘর থেকে ডাইনিং রুমে যেতে লাগে সাড়ে চার মিনিট!

দুর্গটির বিশালত্ব বোঝাতে একটি তথ্যই যথেষ্ট। জানা গিয়েছে, রান্নাঘর থেকে ডাইনিং রুমে পৌঁছাতে দ্রুত পায়ে হাঁটলেও প্রায় সাড়ে চার মিনিট সময় লাগে।

প্রায় ১৬ হাজার বর্গফুট আয়তনের এই দুর্গে ঘর থেকে ঘরে যাওয়াটাও যেন ছোটখাটো হাঁটাহাঁটির মতো!

তবে নিয়মিত এই দুর্গে থাকবেন না জুকারবার্গ। তাঁর মূল বাসস্থান আমেরিকাতেই থাকবে। আয়ারল্যান্ডে সফরের সময় এই দুর্গেই থাকার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

১৮৩০-এর দশকে তৈরি হয়েছিল দুর্গটি

স্ট্র্যানক্যালি ক্যাসলের ইতিহাসও বেশ পুরনো। জানা যায়, উনবিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে, প্রায় ১৮৩০ সালের সময় প্রাক্তন টোরি এমপি জন কেইলির জন্য দুর্গটি নির্মাণ করা হয়েছিল।

গথিক স্থাপত্যশৈলীতে তৈরি এই দুর্গে আজও ঐতিহাসিক স্থাপত্যের ছাপ রয়েছে। তবে সময়ের সঙ্গে একাধিকবার সংস্কারও হয়েছে।

গত প্রায় দুই দশকে দুর্গটির পূর্ববর্তী মালিকরা ব্যাপক সংস্কার করেছেন বলে জানা যায়। ফলে ঐতিহাসিক কাঠামোর সঙ্গে আধুনিক সুযোগ-সুবিধারও মেলবন্ধন ঘটেছে।

কেন আয়ারল্যান্ডে জুকারবার্গের এত আগ্রহ?

জুকারবার্গের আয়ারল্যান্ডের এই সম্পত্তি কেনার পিছনে বাস্তবিক কারণও রয়েছে। মেটার ইউরোপীয় সদর দপ্তর দীর্ঘদিন ধরেই আয়ারল্যান্ডে অবস্থিত।

২০০৯ সাল থেকে আয়ারল্যান্ডে মেটার ইউরোপীয় সদর দপ্তর রয়েছে। ফলে ব্যবসায়িক প্রয়োজনে জুকারবার্গের দেশটিতে যাতায়াত করতেই হয়।

নতুন দুর্গটি তাঁর কর্মস্থলের কাছাকাছি না হলেও আয়ারল্যান্ড সফরের সময় থাকার জন্য বিলাসবহুল এবং ব্যক্তিগত একটি ঠিকানা হিসেবে এটি ব্যবহার করা যেতে পারে।

এখনও সরকারি রেকর্ডে ওঠেনি লেনদেন

জানা গিয়েছে, জুকারবার্গ ও প্রিসিলা চ্যান কয়েক সপ্তাহ আগেই সম্পত্তিটি ‘অফ-মার্কেট’ চুক্তিতে কিনেছেন। তবে আয়ারল্যান্ডের Property Price Register-এ এখনও এই লেনদেনের তথ্য প্রকাশিত হয়নি।

তাই দুর্গটির চূড়ান্ত ক্রয়মূল্য নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। বাজারে প্রচলিত তথ্য অনুযায়ী, দাম ২০ থেকে ৩০ মিলিয়ন ইউরোর মধ্যে হতে পারে।

ইতিহাসের সঙ্গে আধুনিকতার মেলবন্ধন

ব্ল্যাকওয়াটার নদী এবং সবুজে ঘেরা এস্টেটটির অন্যতম আকর্ষণ তার নির্জনতা। ঐতিহাসিক দুর্গ হলেও সাম্প্রতিক সংস্কারের ফলে আধুনিক জীবনযাপনের উপযোগী করে তোলা হয়েছে সম্পত্তিটিকে।

অর্থাৎ শতাব্দীপ্রাচীন স্থাপত্য, বিশাল জমি, নদী ও প্রকৃতির সৌন্দর্যের পাশাপাশি আধুনিক সুযোগ-সুবিধা—সব মিলিয়ে জুকারবার্গের নতুন এই আইরিশ ঠিকানা যে নিছক একটি বাড়ি নয়, বরং এক বিশাল ঐতিহাসিক এস্টেট, তা বলাই যায়।

Advertisement
#6
Advertisement
#7
Advertisement
#8
Advertisement
#9
Advertisement
#10