ট্রাম্পের দাবি, ইরানে সামরিক অভিযানের লক্ষ্য ইতিমধ্যেই পূরণ হয়েছে। তাঁর মতে, ইরানের পরমাণু অস্ত্র তৈরির ক্ষমতা এখন আর নেই। সেই কারণেই যুদ্ধ গুটিয়ে নেওয়া হবে। তবে ভবিষ্যতে প্রয়োজন হলে 'জায়গা বুঝে আঘাত' হানতে ফিরে আসার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি। ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প ইরানের নতুন নেতৃত্বের প্রশংসাও করেছেন। তাঁর দাবি, ইরানের নতুন প্রেসিডেন্ট পূর্বসূরীদের মতো কট্টর নন এবং তিনি যুদ্ধবিরতির আবেদন করেছেন। তবে হরমুজ প্রণালী না খুললে সেই আবেদনে সাড়া দেওয়া হবে না বলেও জানিয়েছেন ট্রাম্প। পাল্টা ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, ইরানের তরফে কোনো যুদ্ধবিরতির আবেদন করা হয়নি এবং ট্রাম্পের দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
এই যুদ্ধে ইউরোপীয় সহযোগীদের ভূমিকা নিয়ে চরম ক্ষুব্ধ ট্রাম্প। ইটালি ও স্পেন মার্কিন যুদ্ধবিমানকে নিজেদের ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেয়নি। ব্রিটেনও সাহায্যে রাজি হয়নি। এই পরিস্থিতিতে NATO ছাড়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন ট্রাম্প। এই সামরিক জোটকে 'কাগুজে বাঘ' বলে কটাক্ষ করেছেন এবং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমারের বিরুদ্ধেও সরাসরি তোপ দেগেছেন। স্টারমার অবশ্য জানিয়েছেন, যতই চাপ আসুক তাঁর সিদ্ধান্ত সবসময় ব্রিটেনের জাতীয় স্বার্থরক্ষার লক্ষ্যে নেওয়া হবে।
এদিকে রাতে আমেরিকাবাসীর উদ্দেশে খোলা চিঠি লিখেছেন ইরানি প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি জানিয়েছেন, মার্কিন নাগরিকদের সঙ্গে ইরানের কোনো বিরোধ নেই। তবে আমেরিকা ইজরায়েলের 'প্রক্সি' হিসেবে কাজ করায় ক্ষতি হচ্ছে স্বয়ং মার্কিন জনতার। এই যুদ্ধের বোঝা শেষ পর্যন্ত বইতে হবে আমেরিকার করদাতাদেরই।



