Home/War/US-Iran Peace Deal হল না! ২১ ঘণ্টার Islamabad Talks ভেস্তে, VP JD Vance হতাশ, Iran এখনও আশাবাদী
Advertisement
#16
Advertisement
#17
Advertisement
#18
Advertisement
#19
Advertisement
#20

US-Iran Peace Deal হল না! ২১ ঘণ্টার Islamabad Talks ভেস্তে, VP JD Vance হতাশ, Iran এখনও আশাবাদী

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার আবহেই পাকিস্তানের রাজধানী Islamabad-এ বসেছিল বহু প্রতীক্ষিত আমেরিকা-ইরান শান্তি বৈঠক। কিন্তু প্রায় ২১ ঘণ্টার দীর্ঘ আলোচনার পরও কোনও চুক্তি হয়নি—ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠল।

Joyjit Sengupta

Joyjit Sengupta

Author from Orange Prime News

Apr 12, 2026
5 min read
60
Share:
US-Iran Peace Deal হল না! ২১ ঘণ্টার Islamabad Talks ভেস্তে, VP JD Vance হতাশ, Iran এখনও আশাবাদী

রবিবার সকালে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট JD Vance নিজেই এই বৈঠকের ফলাফল নিয়ে ‘দুঃসংবাদ’ শোনান। তাঁর কথায়, ইরান আমেরিকার দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ শর্তগুলি মানতে রাজি হয়নি, যার ফলে সমঝোতা ভেস্তে যায়।

এই বৈঠকটি হয়েছিল প্রায় ছ’সপ্তাহের সংঘর্ষের পর। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump দু’সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছিলেন, যা সাময়িকভাবে উত্তেজনা কমালেও স্থায়ী সমাধানের জন্য এই বৈঠক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছিল।

কী হয়েছিল বৈঠকে?

শনিবার ইসলামাবাদে মুখোমুখি আলোচনায় বসেন দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা। আমেরিকার তরফে নেতৃত্ব দেন JD Vance। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মার্কিন বিশেষ দূত Steve Witkoff এবং ট্রাম্পের জামাতা Jared Kushner।

অন্যদিকে, ইরানের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন বিদেশমন্ত্রী Abbas Araghchi এবং পার্লামেন্ট স্পিকার Mohammad Bagher Ghalibaf।

দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে আলোচনা চললেও কোনও নির্দিষ্ট সমাধানসূত্র বের হয়নি। সূত্রের খবর, বৈঠকের সময় বারবার পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, আবার কিছু সময় পরে তা শান্ত হয়—যা থেকে বোঝা যায় আলোচনা কতটা জটিল ছিল।

মতবিরোধ কোথায়?

মার্কিন পক্ষের দাবি, ইরান গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত শর্ত মানতে অস্বীকার করেছে। যদিও ঠিক কোন শর্ত নিয়ে মতবিরোধ হয়েছে, তা স্পষ্ট করে জানানো হয়নি।

অন্যদিকে, তেহরানের বক্তব্য সম্পূর্ণ ভিন্ন। ইরান জানিয়েছে, আলোচনা “সম্পন্ন” হয়েছে এবং এখন প্রযুক্তিগত স্তরে নথিপত্র আদানপ্রদান হবে। তাদের মতে, কিছু বিষয়ে মতপার্থক্য থাকলেও আলোচনার দরজা বন্ধ হয়নি।

ইরানের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, তারা ভবিষ্যতেও আলোচনায় বসতে প্রস্তুত। তবে সেই বৈঠক কবে হবে, তা এখনও নির্দিষ্ট নয়।

ইরানের শর্ত কী ছিল?

সূত্র অনুযায়ী, ইরান আমেরিকার কাছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি রেখেছিল। তার মধ্যে ছিল—

  • বিদেশে আটকে থাকা ইরানের সম্পদ মুক্ত করা

  • লেবাননে ইজরায়েলি সামরিক অভিযান বন্ধ করা

  • পশ্চিম এশিয়ায় নতুন করে মার্কিন সেনা মোতায়েন না করা

এই শর্তগুলির কোনওটিতেই দুই দেশ একমত হতে পারেনি বলেই আলোচনা ভেঙে যায়।

আবেগঘন বার্তা নিয়ে পৌঁছেছিল ইরান

এই বৈঠকের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল ইরানের প্রতীকী বার্তা। তারা মার্কিন হামলায় নিহত শিশুদের জুতো ও ব্যাগ সঙ্গে নিয়ে আসে, যা আলোচনার আবহকে আরও আবেগপ্রবণ করে তোলে।

এ থেকেই স্পষ্ট, এই বৈঠক শুধু কূটনৈতিক নয়, বরং মানসিক ও রাজনৈতিক চাপেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হয়ে উঠেছিল।

ভবিষ্যৎ কী?

JD Vance বৈঠকের পর স্পষ্ট করে জানান, আপাতত কোনও চুক্তি হয়নি এবং পরিস্থিতি অনিশ্চিত। তবে তিনি এটাও বলেননি যে আলোচনা সম্পূর্ণভাবে শেষ।

অন্যদিকে ইরান ইতিবাচক সুরে জানিয়েছে যে আলোচনা চলবে। ফলে ভবিষ্যতে আরও বৈঠকের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

কেন গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠক?

এই বৈঠকটি গুরুত্বপূর্ণ ছিল কারণ এটি ১৯৭৯ সালের Iranian Revolution-এর পর অন্যতম উচ্চপর্যায়ের সরাসরি আলোচনা।

মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা, তেল সরবরাহ, এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের উপর এই আলোচনার প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী নিয়ে উত্তেজনার মধ্যে এই বৈঠককে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছিল।

উপসংহার

সব মিলিয়ে, ইসলামাবাদের বৈঠক কোনও চূড়ান্ত সমাধান না দিলেও পরিস্থিতি যে এখনও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যায়নি, তা স্পষ্ট।

একদিকে মার্কিন কড়া অবস্থান, অন্যদিকে ইরানের শর্ত—এই দুইয়ের মাঝে দাঁড়িয়ে ভবিষ্যতের কূটনীতি কোন দিকে মোড় নেবে, সেটাই এখন দেখার।

বিশ্বজুড়ে নজর এখন পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে—আবার কি আলোচনার টেবিলে ফিরবে দুই দেশ, না কি নতুন করে সংঘাতের পথে হাঁটবে মধ্যপ্রাচ্য?

Advertisement
#6
Advertisement
#7
Advertisement
#8
Advertisement
#9
Advertisement
#10