ইজ়রায়েল সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইরান যাতে পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র শক্তির মাধ্যমে বিশ্বে হুমকি হয়ে না ওঠে, সেই লক্ষ্যে আমেরিকার উদ্যোগকে তারা সমর্থন করছে। পাশাপাশি আমেরিকার সঙ্গে ভবিষ্যৎ আলোচনায় অভিন্ন লক্ষ্য পূরণের বিষয়েও তারা আশাবাদী।
অন্যদিকে, এই যুদ্ধবিরতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে Pakistan— এমন দাবি করেছে আমেরিকা ও ইরান দু’পক্ষই। ট্রাম্পের ঘোষণার পর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী Shehbaz Sharif সমাজমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে এই উদ্যোগকে স্বাগত জানান। তিনি চান, লেবানন-সহ সমস্ত সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হোক।
শাহবাজ় শরিফ আরও জানিয়েছেন, দুই দেশের মধ্যে স্থায়ী সমাধানের জন্য আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে এবং সেই উদ্দেশ্যে আগামী ১০ এপ্রিল ইসলামাবাদে বৈঠকের প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি। তবে লেবানন প্রসঙ্গে পাকিস্তান ও ইজ়রায়েলের ভিন্ন অবস্থান নতুন করে জটিলতা তৈরি করেছে।
উল্লেখযোগ্য, পশ্চিম এশিয়ায় চলমান এই সংঘাতে Hezbollah-এর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। ইরানের সমর্থিত এই গোষ্ঠী ইজ়রায়েলের উপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর পর থেকেই উত্তেজনা বাড়ে। এর জবাবে লেবাননে লাগাতার সামরিক অভিযান চালাচ্ছে ইজ়রায়েল।
এই সংঘর্ষে ইতিমধ্যেই বহু মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে এবং হাজার হাজার মানুষ ঘরছাড়া হয়েছেন। যদিও ইরান যুদ্ধবিরতিতে সম্মতি জানিয়েছে, তাদের শীর্ষ নেতৃত্ব সতর্ক করে বলেছে— যুদ্ধ শেষ হয়নি, পরিস্থিতি অনুযায়ী তারা প্রতিক্রিয়া জানাতে প্রস্তুত।



