ইরান ও আমেরিকার মধ্যে আপাতত সংঘর্ষবিরতি জারি থাকলেও পরিস্থিতি এখনও অত্যন্ত উত্তপ্ত। এই আবহেই ইরানকে প্রকাশ্যে কড়া বার্তা দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন, “সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। দ্রুত সিদ্ধান্ত না নিলে আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না।”
মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই মন্তব্য ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আমেরিকার দেওয়া শর্ত ইরান না মানলে ফের সামরিক সংঘর্ষ শুরু হতে পারে মধ্যপ্রাচ্যে।
একাধিক আন্তর্জাতিক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, সম্প্রতি ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছেন ট্রাম্প। সেই বৈঠকে মূলত ইরানকে ঘিরে পরবর্তী কৌশল নিয়েই আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপ এবং কূটনৈতিক চাপ— দুই দিক নিয়েই পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
এর মধ্যেই নিজের সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ’-এ ট্রাম্প লেখেন, “ইরানের জন্য সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। ওদের দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। নাহলে কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না।” তাঁর এই বার্তায় ফের যুদ্ধের ইঙ্গিত দেখছে কূটনৈতিক মহল।
উল্লেখ্য, আমেরিকা ইরানের সামনে মোট পাঁচটি শর্ত রেখেছে বলে খবর। তার মধ্যে রয়েছে সীমিত পরমাণু কার্যক্রম চালানোর অনুমতি, ৪০০ কিলোগ্রাম ইউরেনিয়াম হস্তান্তর এবং বাজেয়াপ্ত ইরানি সম্পদের একটি অংশ ফেরত দেওয়ার প্রস্তাব। তবে যুদ্ধজনিত ক্ষতিপূরণের দাবি আমেরিকা সম্পূর্ণ খারিজ করে দিয়েছে।
অন্যদিকে, তেহরান এখনও প্রকাশ্যে কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি। তবে ইরান শর্ত না মানলে যুদ্ধবিরতি ভেঙে নতুন করে হামলা শুরু হতে পারে বলেই আশঙ্কা আন্তর্জাতিক মহলের একাংশের।



