Home/International/রুশ তেল কেনার ছাড় প্রত্যাহারের পর মোদিকে ‘ভালো বন্ধু’ বললেন ট্রাম্প, ৪০ মিনিট ফোনালাপে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা
Advertisement
#16
Advertisement
#17
Advertisement
#18
Advertisement
#19
Advertisement
#20

রুশ তেল কেনার ছাড় প্রত্যাহারের পর মোদিকে ‘ভালো বন্ধু’ বললেন ট্রাম্প, ৪০ মিনিট ফোনালাপে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা

রুশ তেল আমদানির বিশেষ ছাড় প্রত্যাহারের পরেও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রশংসায় পঞ্চমুখ হলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রায় ৪০ মিনিটের ফোনালাপের পর ট্রাম্প বলেন, মোদি তাঁর “ভালো বন্ধু” এবং তিনি “দারুণ কাজ করছেন”। তবে এই সিদ্ধান্তে ভারতের জ্বালানি সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

Joyjit Sengupta

Joyjit Sengupta

Author from Orange Prime News

Apr 17, 2026
5 min read
5
Share:
রুশ তেল কেনার ছাড় প্রত্যাহারের পর মোদিকে ‘ভালো বন্ধু’ বললেন ট্রাম্প, ৪০ মিনিট ফোনালাপে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা

রুশ তেল কেনার ক্ষেত্রে ভারতের জন্য দেওয়া সাময়িক ছাড় আর বাড়ানো হবে না— এই ঘোষণা করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। এর পরেই সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভূয়সী প্রশংসা করেন।

ট্রাম্প বলেন, “মোদি আমার ভারতীয় বন্ধু। ওঁর সঙ্গে আমার খুব ভালো কথা হয়েছে। তিনি দারুণ আছেন, ভালো কাজ করছেন।” জানা গিয়েছে, গত মঙ্গলবার দুই রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে প্রায় ৪০ মিনিট ধরে ফোনালাপ হয়।

প্রধানমন্ত্রী মোদি সমাজমাধ্যমে জানান, ফোনালাপে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা, পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি এবং হরমুজ প্রণালীকে উন্মুক্ত ও সুরক্ষিত রাখার বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। যদিও রুশ তেল আমদানির ছাড় প্রত্যাহার নিয়ে সরাসরি কী কথা হয়েছে, তা প্রকাশ করা হয়নি।

প্রসঙ্গত, পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাত শুরুর সময় আমেরিকা সাময়িকভাবে রুশ তেল কেনার উপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছিল। সেই সুযোগে ভারত উল্লেখযোগ্য পরিমাণে রুশ তেল আমদানি করে। বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী, এই সময় প্রায় ৩০ মিলিয়ন ব্যারেল রুশ তেল ভারতে আসে।

এখন মার্কিন ট্রেজারি সচিব স্কট বেসেন্ট স্পষ্ট জানিয়েছেন, রুশ ও ইরানি তেল কেনার ক্ষেত্রে বিশেষ লাইসেন্সের মেয়াদ আর বাড়ানো হবে না। ফলে ভবিষ্যতে এই তেল আমদানির উপর নতুন করে কড়াকড়ি এবং সম্ভাব্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতের মোট জ্বালানি প্রয়োজনের প্রায় ৮৫ শতাংশই আমদানিনির্ভর। এর বড় অংশ হরমুজ প্রণালী হয়ে আসে। ফলে এই ছাড় প্রত্যাহার আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধি এবং সরবরাহে চাপ তৈরি করতে পারে।

Advertisement
#6
Advertisement
#7
Advertisement
#8
Advertisement
#9
Advertisement
#10