ঘটনাটি ঘটে ৩ মার্চ গভীর রাতে। প্রথম ড্রোন হামলায় দূতাবাস ভবনে বড় গর্ত তৈরি হয়। তার ঠিক এক মিনিট পর দ্বিতীয় ড্রোন একই জায়গা দিয়ে ঢুকে বিস্ফোরণ ঘটায়। এর জেরে ভবনে আগুন ধরে যায় এবং তা নিয়ন্ত্রণে আনতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়। সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ভবনটি এতটাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যে তা আর ব্যবহারযোগ্য নয়।
যদিও শুরুতে সৌদি আরব সরকার ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা কম বলে দাবি করেছিল, পরে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে পরিস্থিতির ভয়াবহতা সামনে আসে।
এই হামলা এমন এক স্থানে হয়েছে, যেটি অত্যন্ত সুরক্ষিত বলে মনে করা হয়। ফলে বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ঘটনা প্রমাণ করে যে পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিন উপস্থিতি আগের মতো নিরাপদ নয়।
শুধু রিয়াধ নয়, বাগদাদ, দুবাই এবং কুয়েত-এও মার্কিন দূতাবাসকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার দাবি উঠেছে। এছাড়া প্রিন্স সুলতান এয়ারবেস-এ হামলায় মার্কিন বিমানবাহিনীর ক্ষতির কথাও জানা যাচ্ছে।
অন্যদিকে, ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার যুদ্ধজয়ের দাবি করলেও, এই ধরনের পালটা হামলা সংঘাতের পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।



