মার্কিন প্রশাসনের তরফে গত ১২ মার্চ জানানো হয়েছিল, সমুদ্রে ভাসমান রাশিয়ার তেলবাহী ট্যাঙ্কার থেকে ভারতীয় তেলশোধন সংস্থাগুলি তেল কিনতে পারবে। পরে অন্য তেল আমদানিকারী দেশগুলিকেও একই ধরনের ছাড় দেওয়া হয়। কিছুদিন পর ইরানের তেল কেনার ক্ষেত্রেও ৩০ দিনের জন্য এই সুবিধা চালু করা হয়েছিল। কিন্তু এবার সেই মেয়াদ আর বৃদ্ধি করা হচ্ছে না।
বুধবার সাংবাদিক সম্মেলনে মার্কিন প্রশাসনের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়, রাশিয়া এবং ইরানের তেল কেনার ক্ষেত্রে দেওয়া অস্থায়ী ছাড়ের মেয়াদ আর বাড়ানো হবে না। এর ফলে ভারত-সহ এশিয়ার একাধিক দেশের তেল আমদানির উপর প্রভাব পড়তে পারে।
সূত্রের খবর, ভারত-সহ বেশ কয়েকটি দেশ এই ছাড়ের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন জানিয়েছিল। কিন্তু হোয়াইট হাউস সেই আবেদন মঞ্জুর করেনি। পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সঙ্কট এবং তেলের দাম বৃদ্ধি রুখতেই প্রথমে এই ছাড় দেওয়া হয়েছিল। এখন যুদ্ধবিরতি বজায় থাকায় সেই প্রয়োজন আর দেখছে না ওয়াশিংটন।
এই সিদ্ধান্ত ভারতের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ গত কয়েক মাসে রাশিয়া থেকে তুলনামূলক কম দামে তেল আমদানির পরিমাণ উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়েছিল। ফলে এখন বিকল্প উৎস থেকে তেল সংগ্রহের দিকে নজর দিতে হতে পারে নয়াদিল্লিকে।
তবে ভারতের তরফে আগেই জানানো হয়েছে, জাতীয় স্বার্থই দেশের বাণিজ্যনীতির প্রধান নির্ধারক। প্রয়োজন অনুযায়ী একাধিক উৎস থেকে তেল কেনার পথ খোলা রাখা হবে এবং কোনও একটি দেশের উপর নির্ভরশীলতা রাখা হবে না।



