ট্রাম্প জানান, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী Shehbaz Sharif এবং সেনাপ্রধান Asim Munir-এর নেতৃত্বেই এই বৈঠক আয়োজন সম্ভব হয়েছে। তাঁদের ‘যোগ্য’ ও ‘মানবিক’ নেতা বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট JD Vance পাকিস্তান থেকেই বৈঠক ব্যর্থ হওয়ার ‘দুঃসংবাদ’ দিয়েছিলেন। পরে ওয়াশিংটনে ফিরে ট্রাম্পকে পুরো বিষয়টি জানান প্রতিনিধিদল। তার পরই এই বিবৃতি সামনে আসে।
বিবৃতিতে ট্রাম্প দাবি করেন, ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে অতীতে হওয়া সামরিক সংঘাত থামাতে তাঁর ভূমিকা ছিল এবং তাতে লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রাণ বাঁচানো সম্ভব হয়েছে। যদিও India সরকার আগেই এই দাবি খারিজ করেছে এবং জানিয়েছে, দুই দেশের মধ্যে সরাসরি আলোচনার মাধ্যমেই সংঘর্ষবিরতি হয়েছিল।
ইরান প্রসঙ্গে ট্রাম্প কড়া অবস্থান নেন। তাঁর বক্তব্য, ইরান এখনও পরমাণু শক্তিধর দেশ হওয়ার আকাঙ্ক্ষা থেকে সরে আসেনি। Nuclear Weapons অর্জনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলেই সমঝোতা সম্ভব হয়নি।
এছাড়াও ট্রাম্প অভিযোগ করেন, হরমুজ় প্রণালী খুলে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও তা মানেনি ইরান, যার ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং জাহাজ চলাচলে সমস্যা তৈরি হয়েছে।
তিনি স্পষ্ট বার্তা দেন, ইরানকে কোনওভাবেই পারমাণবিক শক্তিধর দেশ হতে দেওয়া হবে না। এই অবস্থান থেকেই ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও ইঙ্গিত দেন ট্রাম্প।
উল্লেখ্য, এই বৈঠক ব্যর্থ হওয়ার পরই হরমুজ় প্রণালী অবরোধের ঘোষণা করেছে আমেরিকা, যা নতুন করে আন্তর্জাতিক উত্তেজনা বাড়ানোর আশঙ্কা তৈরি করেছে।



