মধ্যপ্রাচ্যের টানাপোড়েনের আবহে নতুন করে আলোচনার ইঙ্গিত। Iran ও United States-এর মধ্যে দ্বিতীয় দফার শান্তি বৈঠকের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে ইরানের প্রতিনিধিদল পৌঁছেছে Islamabad-এ। প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে রয়েছেন বিদেশমন্ত্রী Abbas Araghchi। জানা যাচ্ছে, তিনি Pakistan-এর প্রধানমন্ত্রী Shehbaz Sharif এবং সেনাপ্রধান Asim Munir-এর সঙ্গে বৈঠক করবেন।
কূটনৈতিক সূত্রে খবর, পাকিস্তান এই আলোচনায় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা নিচ্ছে। একইসঙ্গে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump ইরানের সঙ্গে আলোচনার জন্য তাঁর বিশেষ দূত Steve Witkoff ও Jared Kushner-কে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পরিস্থিতি অনুকূল হলে ভাইস প্রেসিডেন্ট JD Vance-ও যোগ দিতে পারেন বলে জানা গেছে।
এর আগে ১১ এপ্রিল দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘ বৈঠক হলেও কোনও সমাধান বেরোয়নি। তবে এবার সপ্তাহান্তেই নতুন বৈঠক হতে পারে বলে জোর জল্পনা চলছে, যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও তা নিশ্চিত করেনি তেহরান।
অন্যদিকে, ইরানের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। সংবাদমাধ্যমের দাবি, Islamic Revolutionary Guard Corps (আইআরজিসি) বর্তমানে প্রশাসনিক ক্ষমতার বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করছে। প্রেসিডেন্ট Masoud Pezeshkian কার্যত কোণঠাসা— এমন জল্পনাও শোনা যাচ্ছে।
এছাড়া ইরানের সর্বোচ্চ নেতা Mojtaba Khamenei-এর শারীরিক অবস্থাও উদ্বেগজনক বলে দাবি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক রিপোর্টে। গুরুতর আহত অবস্থায় তিনি এখনও জনসমক্ষে আসেননি।
এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের দাবি, ইরানের প্রশাসনিক কাঠামোয় বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে, যার ফলে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব বাড়ছে। যদিও ইরানের তরফে এই অভিযোগ খারিজ করে ঐক্যের বার্তা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব Pete Hegseth জানিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক চাপ অব্যাহত থাকবে এবং প্রয়োজন হলে দীর্ঘ সময় ধরে অভিযান চলবে।



