মাশহাদ বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হামলার সময় বিমানটি রানওয়েতে দাঁড়িয়ে ছিল এবং যাত্রী ওঠানোর প্রস্তুতি চলছিল। সেই মুহূর্তেই রানওয়ে ও পার্কিং এলাকায় মিসাইল হামলা চালানো হয়। বিকট বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে পুরো এলাকা এবং কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় চারপাশ। তবে সেই মুহূর্তে বিমানে কোনো যাত্রী না থাকায় বড় প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়েছে। বিস্ফোরণের পরপরই ঘটনাস্থলে দমকল বাহিনী পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে।
এই বিমানে ভারত থেকে ১১ টন ত্রাণসামগ্রী নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। যুদ্ধের কারণে তীব্র চিকিৎসা সংকটে পড়া সাধারণ ইরানবাসীর জন্য ভারত থেকে ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও অন্যান্য জরুরি সামগ্রী পাঠানোর পরিকল্পনা করেছিল ইরান। হামলায় সেই মানবিক সহায়তাও থমকে গেল। ইরান সরকার অভিযোগ করেছে, সাধারণ মানুষের কাছে ত্রাণ পৌঁছাতে না দেওয়ার সুপরিকল্পিত চক্রান্ত চলছে এবং বেছে বেছে বেসামরিক পরিকাঠামোয় আঘাত হানা হচ্ছে।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মাহান এয়ারলাইনস মূলত ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পসের নিয়ন্ত্রণে থাকায় আমেরিকা এই এয়ারলাইনসের বিমানগুলিকে লক্ষ্যবস্তু করছে। তবে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরানের একাধিক বিমানবন্দরে এই ধরনের হামলা আগেও হয়েছে। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করেনি আমেরিকা। তবে ভারতগামী একটি বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এই হামলা নিয়ে ভারতেও উদ্বেগ বাড়ছে।



