সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প সরাসরি বলেছেন, হয়তো তারা খার্গ আইল্যান্ড নিয়ে নেবেন, হয়তো নেবেন না। তবে সেখানে গিয়ে কিছুটা সময় থাকতে হতে পারে বলেও মন্তব্য করেছেন। এর আগে খার্গের সামরিক ঘাঁটিগুলিতে হামলা চালিয়েছিল আমেরিকা। ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, সেই ঘাঁটিগুলি নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হয়েছে। তবে তেলের ভান্ডারে এখনও হাত দেওয়া হয়নি। হরমুজ প্রণালীতে পণ্য পরিবহণে বাধা বন্ধ না করলে তৈলভান্ডারেও হামলার হুঁশিয়ারি আগেই দিয়েছিলেন তিনি।
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার সঙ্গে ইরান পরিস্থিতির তুলনা টেনেছেন। প্রসঙ্গত, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে তাঁর দেশ থেকে তুলে নিয়ে গিয়েছিল মার্কিন বাহিনী এবং তারপর সেই দেশের তৈলভান্ডারে আমেরিকার নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ইরানের ক্ষেত্রেও একই কৌশল নেওয়া হতে পারে কিনা তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে এই ইঙ্গিতে বিশ্বের তেলবাজারে আরও বড় ধাক্কা আসতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।
এদিকে স্থলযুদ্ধের পরিকল্পনাও এগিয়ে চলেছে। কয়েকদিন আগেই সাড়ে তিন হাজারের বেশি সৈন্য নিয়ে পশ্চিম এশিয়ায় পৌঁছে গেছে উভচর রণতরী ইউএসএস ট্রিপোলি। ওই অঞ্চলে মার্কিন সেনার সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। এর মাঝেই কূটনৈতিক তৎপরতাও চলছে। পাকিস্তান দাবি করেছে, আমেরিকা ও ইরানকে শীঘ্রই সরাসরি আলোচনার টেবিলে বসানোর চেষ্টা করছে তারা। বিশ্বের অধিকাংশ দেশই কূটনৈতিক পথে সমাধানের আর্জি জানাচ্ছে। কিন্তু মাঠের বাস্তবতা বলছে, সংঘাত আপাতত থামার নয়।



