এই প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে রয়েছেন Abbas Araghchi এবং ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার Mohammad Bagher Ghalibaf। তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন অর্থনীতি, নিরাপত্তা, প্রযুক্তি-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞরা।
অন্যদিকে United States-এর প্রতিনিধিদলও বিশেষ বিমানে পৌঁছেছে। দলে রয়েছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট J. D. Vance, বিশেষ দূত Steve Witkoff এবং Jared Kushner।
বৈঠকের আগে ইরান বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ শর্ত দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—
Lebanon-এ Israel-এর হামলা বন্ধ
পশ্চিম এশিয়ায় নতুন করে মার্কিন সেনা মোতায়েন না করা
যুদ্ধবিরতির শর্ত কঠোর ভাবে মানা
ইরান জানিয়েছে, তারা আলোচনায় আগ্রহী হলেও আমেরিকাকে পুরোপুরি বিশ্বাস করছে না। অন্যদিকে J. D. Vance বলেছেন, এই বৈঠক ইতিবাচক হতে পারে বলে তাঁদের আশা।
উল্লেখ্য, দুই দেশের মধ্যে দু’সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির মধ্যেই এই বৈঠক হচ্ছে। আলোচনায় ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ও Strait of Hormuz-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে আসতে পারে।
এই বৈঠক ঘিরে Islamabad-এ নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ‘red zone’ ঘোষণা করা হয়েছে, মোতায়েন করা হয়েছে হাজার হাজার নিরাপত্তাকর্মী। এমনকি স্কুল-কলেজ ও বাজারও সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।
এখন প্রশ্ন—এই বৈঠক কি সত্যিই মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফিরিয়ে আনতে পারবে, নাকি নতুন কোনও জটিলতার সূচনা করবে?



