ঢাকঢোল পিটিয়ে দ্বিতীয় দফার শান্তি বৈঠকের ঘোষণা করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump। কিন্তু পরিস্থিতি এখন ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে। প্রথম দফার আলোচনা ফলপ্রসূ না হওয়ার পর থেকেই ইরানের বন্দরগুলিতে মার্কিন নৌ অবরোধ জারি রয়েছে।
সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরানের বন্দর ও উপকূল এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে ১০ হাজারের বেশি মার্কিন সেনা, এক ডজনেরও বেশি রণতরী এবং বহু যুদ্ধবিমান। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, অবরোধ কার্যকর রাখতে জাহাজ চলাচলের উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে।
বিশেষ করে Strait of Hormuz ঘিরে পরিস্থিতি অত্যন্ত স্পর্শকাতর। বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের একটি বড় অংশ এই জলপথ দিয়েই যাতায়াত করে। ফলে এই অঞ্চলে সামরিক চাপ বাড়ায় আন্তর্জাতিক বাজারেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
এদিকে আলোচনার পথ পুরোপুরি বন্ধ হয়নি বলেও ইঙ্গিত মিলছে। সূত্রের খবর, আমেরিকা ও ইরান উভয় পক্ষই দ্বিতীয় দফার বৈঠকের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে। তবে বৈঠকের দিন, সময় ও স্থান এখনও চূড়ান্ত হয়নি। আপাতত পাকিস্তান বা অন্য কোনও নিরপেক্ষ দেশে আলোচনা হতে পারে বলে জল্পনা চলছে।
এই আবহে কূটনৈতিক মহলের প্রশ্ন— সামরিক চাপের মধ্যেও কি ফের আলোচনার টেবিলে ফিরবে দুই দেশ, নাকি হরমুজ়ের জলে তলিয়ে যাবে শান্তির সম্ভাবনা?



