মহম্মদ সাফা আন্তর্জাতিক এনজিও 'প্যাট্রিয়টিক ভিশন'-এর এগজিকিউটিভ ডিরেক্টর। এই সংস্থাটি রাষ্ট্রপুঞ্জের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদে বিশেষ পরামর্শদাতা হিসেবে কাজ করে। ২০১৬ সাল থেকে সংস্থার স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে রাষ্ট্রপুঞ্জে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন সাফা।
সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে নিজের উদ্বেগ প্রকাশ করে সাফা লিখেছেন, সাধারণ মানুষ এর গুরুত্ব বুঝতে পারছে না — রাষ্ট্রপুঞ্জ ইরানে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের সম্ভাব্য পরিস্থিতি সামলাতে প্রস্তুতি নিয়ে কাজ করছে। তিনি আরও অভিযোগ করেছেন, রাষ্ট্রপুঞ্জের কয়েকজন শীর্ষকর্তা একটি প্রভাবশালী লবির হয়ে কাজ করে চলেছেন। তেহরানের একটি ছবি পোস্ট করে তিনি লিখেছেন, এটা কোনো জনশূন্য মরুভূমি নয়, এখানে শিশু, মহিলা, বয়স্ক ও সাধারণ মানুষের বাস — তাঁদের স্বপ্ন, আশা ও ভালোবাসা রয়েছে এই শহরে। তুলনা টেনে তিনি বলেছেন, ওয়াশিংটন, লন্ডন বা প্যারিসে পারমাণবিক হামলা হলে কী ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হত, সেটা একবার ভাবুন।
সাফা আরও অভিযোগ করেছেন, ইজরায়েল ও আমেরিকা বারবার আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করলেও রাষ্ট্রপুঞ্জ নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে চলেছে। প্রায় দুই বছর ধরে চলা হামাস-ইজরায়েল যুদ্ধের প্রসঙ্গও টেনেছেন তিনি। তাঁর দাবি, এই সত্য বলার কারণে তাঁকে রাষ্ট্রপুঞ্জে একঘরে করে রাখা হয়েছে এবং তাঁকে ও তাঁর পরিবারকে একাধিকবার প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে। তবে সাফার এই বিস্ফোরক দাবি নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করেনি রাষ্ট্রপুঞ্জ। তাঁর অভিযোগ কতটা সত্য, তা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। তবে এই ঘটনা আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন তুলেছে।



