পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতা কাটাতে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে যে শান্তি আলোচনা চলছে, তা এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার নেভাডা ও অ্যারিজোনা সফরে রওনা হওয়ার আগে হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প বলেন, যদি ইসলামাবাদে চুক্তি স্বাক্ষর হয়, তবে তিনি নিজেও সেখানে উপস্থিত থাকতে পারেন।
ট্রাম্পের কথায়, “যদি ইসলামাবাদে কোনও চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, তবে আমিও সেখানে যেতে পারি। ওরা চাইছে আমি যাই।” তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।
বর্তমানে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে দু’সপ্তাহের সংঘর্ষবিরতি চলছে, যার মেয়াদ আগামী সপ্তাহে শেষ হওয়ার কথা। তবে ট্রাম্পের মতে, চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত হওয়ায় যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর প্রয়োজন নাও হতে পারে।
জানা গিয়েছে, এই শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে পাকিস্তান। গত সপ্তাহে ইসলামাবাদের একটি অভিজাত হোটেলে প্রায় ২০ ঘণ্টা ধরে দুই পক্ষের বৈঠক হয়। সেই বৈঠকে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স উপস্থিত ছিলেন।
সূত্রের খবর, খুব শীঘ্রই ইসলামাবাদে আরও এক দফা বৈঠক হতে পারে। মার্কিন প্রতিনিধিদলও সেখানে যাবে বলে হোয়াইট হাউস সূত্রে জানা গিয়েছে। এই পর্বে সমঝোতা চূড়ান্ত হলে ট্রাম্পের পাকিস্তান সফর আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বড় বার্তা হয়ে উঠতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে হরমুজ প্রণালী ঘিরে উত্তেজনা কমতে পারে এবং বিশ্ব জ্বালানি বাজারে স্থিতি ফিরতে পারে।



