মার্কিন বাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে, ভারতীয় সময় অনুযায়ী সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে এই অবরোধ কার্যকর হবে।
কাদের জাহাজ আটকানো হবে?
বিবৃতি অনুযায়ী—
যেসব জাহাজ ইরানের বন্দরে ঢুকবে বা বেরোবে
যেসব জাহাজের সঙ্গে ইরানের বাণিজ্যিক যোগাযোগ রয়েছে
এই সব জাহাজকে আটকানো হবে।
কারা ছাড় পাবে?
যেসব জাহাজের ইরানের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ নেই
শুধুমাত্র আন্তর্জাতিক জলপথ ব্যবহার করছে
তাদের ক্ষেত্রে কোনও বাধা দেবে না মার্কিন সেনা।
কেন এই সিদ্ধান্ত?
ট্রাম্পের দাবি, ইরান হরমুজ় প্রণালী দিয়ে যাতায়াতকারী জাহাজের উপর অবৈধ শুল্ক নিচ্ছে। সেই কারণেই এই অবরোধের সিদ্ধান্ত। তিনি আরও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, কোনও হামলা হলে তার কঠোর জবাব দেওয়া হবে।
ইরানের পাল্টা প্রতিক্রিয়া
এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে Iran।
ইরানের রেভলিউশনারি গার্ড বাহিনী জানিয়েছে—
হরমুজ়ে সামরিক পদক্ষেপ হলে তা যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন হিসেবে ধরা হবে
তার জোরালো জবাব দেওয়া হবে
ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার Mohammad Bagher Ghalibaf জানিয়েছেন, “যুদ্ধ চাপিয়ে দিলে পাল্টা যুদ্ধই হবে।”
প্রেক্ষাপট
সম্প্রতি Pakistan-এ আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে বৈঠক হয়েছিল। সেই বৈঠকে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট JD Vance-সহ দুই দেশের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
তবে দীর্ঘ সময়ের সেই বৈঠক কোনও সমাধান ছাড়াই শেষ হয়। তার পরেই পরিস্থিতি ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
সম্ভাব্য প্রভাব
বিশেষজ্ঞদের মতে—
বিশ্বে তেল সরবরাহে প্রভাব পড়তে পারে
জ্বালানির দাম বাড়তে পারে
আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি আরও অস্থির হতে পারে
হরমুজ় প্রণালী বিশ্ব বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে এই অবরোধের প্রভাব গোটা বিশ্বেই পড়তে পারে।



