বিদেশ মন্ত্রকের বিবৃতি অনুযায়ী, বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রি ইরানি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকে ভারতীয় জাহাজে গুলির ঘটনায় “গভীর উদ্বেগ” প্রকাশ করেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, হরমুজ় প্রণালী দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ ও নাবিকদের নিরাপত্তাকে ভারত অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়। একই সঙ্গে দ্রুত ভারতগামী জাহাজের নিরাপদ চলাচল পুনরায় নিশ্চিত করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
সূত্রের খবর, আক্রান্ত জাহাজগুলির মধ্যে ছিল ‘জগ অর্ণব’ এবং ‘সানমার হেরাল্ড’। একটি জাহাজে প্রায় ২০ লক্ষ ব্যারেল ইরাকি অপরিশোধিত তেল ছিল। গুলির পর জাহাজ দু’টিকে পথ পরিবর্তন করে ফিরে যেতে হয়। তবে এখনও পর্যন্ত হতাহতের কোনও খবর পাওয়া যায়নি।
কোথায় ঘটল হামলা
ব্রিটিশ সামুদ্রিক নিরাপত্তা সূত্র প্রথম জানায় যে, ঘটনাটি ওমানের উত্তর-পূর্ব উপকূল থেকে প্রায় ২০ নটিক্যাল মাইল দূরে ঘটেছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরানের রেভলিউশনারি গার্ডের গানবোট জাহাজগুলির দিকে গুলি চালায়। এর ফলে একাধিক জাহাজকে ইউ-টার্ন নিতে দেখা যায়।
কূটনৈতিক বার্তা
ভারতের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, অতীতেও ইরান ভারতীয় জাহাজের নিরাপদ যাতায়াতে সহায়তা করেছে। সেই প্রেক্ষিতে দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। ইরানি রাষ্ট্রদূতও আশ্বাস দিয়েছেন যে, ভারতের উদ্বেগ তেহরানকে জানানো হবে।
বিশ্ববাজারে প্রভাবের আশঙ্কা
হরমুজ় প্রণালী বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি করিডর। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও এলএনজি এই পথ দিয়ে যায়। ফলে এই হামলার জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে নতুন করে চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।



