ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা Mojtaba Khamenei স্পষ্ট করে বলেছেন, এই যুদ্ধবিরতি মানে যুদ্ধের সমাপ্তি নয়। তাঁর বক্তব্য, আমেরিকা বা ইজ়রায়েল যদি কোনও আগ্রাসী পদক্ষেপ নেয়, তবে ইরানও পাল্টা জবাব দিতে প্রস্তুত থাকবে। আপাতত সেনাবাহিনীকে গোলাবর্ষণ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ইরানের বিদেশমন্ত্রী Saeed Abbas Araghchi জানিয়েছেন, হরমুজ় প্রণালী দিয়ে নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে সামরিক সমন্বয় ও প্রযুক্তিগত দিকগুলি বিবেচনা করা জরুরি। সবকিছু ঠিক থাকলে ধাপে ধাপে এই রুট খুলে দেওয়া সম্ভব।
এদিকে, ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, এই সংঘাতে তাদের বহু লক্ষ্য পূরণ হয়েছে এবং তারা এই পরিস্থিতিকে ‘ঐতিহাসিক জয়’ হিসেবে দেখছে। তাদের মতে, দীর্ঘ সময় ধরে শত্রুপক্ষই যুদ্ধবিরতির জন্য চাপ সৃষ্টি করছিল।
এই যুদ্ধবিরতিতে Pakistan মধ্যস্থতার ভূমিকা নিয়েছে বলে আমেরিকা ও ইরান— দু’পক্ষই স্বীকার করেছে। আগামী ১০ এপ্রিল ইসলামাবাদে দুই পক্ষের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে ইরান তাদের ১০ দফা প্রস্তাব দৃঢ়ভাবে উপস্থাপন করবে বলে জানিয়েছে।
অন্যদিকে, ট্রাম্পও জানিয়েছেন যে ইরানের প্রস্তাব একটি ইতিবাচক সূচনা এবং তিনি দীর্ঘমেয়াদি শান্তি চুক্তির ব্যাপারে আশাবাদী। হোয়াইট হাউসের মতে, এই যুদ্ধবিরতি মার্কিন কূটনৈতিক সাফল্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত।



