সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, Pakistan-এ অনুষ্ঠিত USA–Iran শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর থেকেই পরিস্থিতি দ্রুত খারাপ হতে শুরু করে। এরপর USA-এর পক্ষ থেকে Hormuz Strait অবরোধের ঘোষণা ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়।
ইরান এই সিদ্ধান্তের কড়া জবাব দিয়েছে। Revolutionary Guard (IRGC)-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পারস্য উপসাগর ও Oman Sea অঞ্চলের বন্দরগুলোর নিরাপত্তা সবার জন্য থাকবে, না হলে কারও জন্যই থাকবে না। অর্থাৎ, যদি ইরানের ওপর সামরিক চাপ বা অবরোধ আরোপ করা হয়, তাহলে আশপাশের অঞ্চলের বন্দরগুলোও লক্ষ্যবস্তু হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান।
ইরানের সামরিক উপদেষ্টা মহসেন রেজাই জানিয়েছেন, Hormuz Strait অবরুদ্ধ করার চেষ্টা হলে ইরান তার সমস্ত সামরিক সক্ষমতা দিয়ে প্রতিরোধ করবে। একইভাবে Iran Parliament Speaker মহম্মদ বাঘের কালিবাফও সতর্ক করে বলেন, যেকোনো আক্রমণের জবাব সমান শক্তিতে দেওয়া হবে।
অন্যদিকে USA Central Command (CENTCOM) জানিয়েছে, Oman Sea ও Persian Gulf-এ ইরানের বন্দর দিয়ে যাতায়াতকারী জাহাজগুলোর ওপর নজরদারি ও সীমিত কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক শিপিং রুটেও চাপ বাড়ছে।
এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে বড় প্রভাব পড়েছে। অশোধিত তেলের দাম দ্রুত বেড়ে ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে। West Texas Intermediate (WTI) এবং Brent Crude—দুই ধরনের তেলই উল্লেখযোগ্যভাবে দাম বৃদ্ধি দেখেছে।
রিপোর্ট অনুযায়ী, সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতির আগে তেলের দাম ৭৫ ডলার থেকে বেড়ে ১১৯ ডলারে পৌঁছেছিল, পরে সাময়িকভাবে কমলেও আবার নতুন করে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা দিয়েছে।
প্রেক্ষাপট / ব্যাকগ্রাউন্ড
Hormuz Strait বিশ্ববাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ, যার মাধ্যমে বিশ্বের বড় অংশের crude oil পরিবাহিত হয়। তাই এই অঞ্চলকে ঘিরে সামান্য উত্তেজনাও বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় প্রভাব ফেলে।
এর আগে যুদ্ধবিরতির পর কিছুটা স্থিতিশীলতা ফিরলেও রাজনৈতিক টানাপোড়েন অব্যাহত ছিল। সাম্প্রতিক শান্তি বৈঠক ব্যর্থ হওয়ার পর পরিস্থিতি আবার দ্রুত অবনতির দিকে গেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের উত্তেজনা অব্যাহত থাকলে জ্বালানি সংকট এবং মূল্যস্ফীতি আরও বাড়তে পারে, যার প্রভাব সরাসরি সাধারণ বাজার ও আমদানি-রপ্তানির ওপর পড়বে।



