এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “চুক্তি না কি হামলা—২৪ ঘণ্টার মধ্যেই পরিষ্কার হয়ে যাবে।” তিনি আরও দাবি করেন, মার্কিন সেনা ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং “সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র” মোতায়েন করা হচ্ছে।
Strait of Hormuz নিয়ে ইরানের অবস্থানকে সরাসরি ‘তোলাবাজি’ বলে কটাক্ষ করেছেন ট্রাম্প। তাঁর অভিযোগ, আন্তর্জাতিক জলপথ ব্যবহার করে ইরান বিশ্ব অর্থনীতিকে চাপের মুখে ফেলছে।
পরিস্থিতির মূল পয়েন্ট:
ইরান জানিয়েছে দিনে ১৫টির বেশি জাহাজ হরমুজ দিয়ে চলাচল করতে পারবে না
সেই সঙ্গে জাহাজ চলাচলে শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত
ট্রাম্পের দাবি, আগে দিনে ১০০+ জাহাজ চলাচল করত, এখন কমে ১০-১২
পরিস্থিতির উন্নতি না হলে সামরিক হামলার ইঙ্গিত
ইরানের উপর চাপ বাড়াতে কূটনৈতিক ও সামরিক প্রস্তুতি জোরদার
উল্লেখ্য, Iran ও United States-এর মধ্যে দু’সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির মধ্যেই এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হচ্ছে।
এই বৈঠকে মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন J. D. Vance। ইরানের পক্ষ থেকে রয়েছেন Abbas Araghchi ও Mohammad Bagher Ghalibaf।
বিশেষজ্ঞদের মতে, হরমুজ প্রণালী নিয়ে টানাপোড়েনই এই সংঘাতের মূল কেন্দ্রবিন্দু। এই অবস্থায় Islamabad-এর বৈঠক সফল না হলে পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে।



