রিপোর্ট অনুযায়ী, এই জলপথের উপর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতেই রাখতে চায় Tehran। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই রুট দিয়ে প্রায় ২০% খনিজ তেল পরিবাহিত হয়, ফলে এর উপর নিয়ন্ত্রণ অর্থনীতির ক্ষেত্রেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এই শর্ত অনুযায়ী, যে ১৫টি জাহাজ চলাচল করবে, তাদের গতিবিধিও Iran-এর অনুমতি সাপেক্ষে নির্ধারিত হবে। নজরদারির দায়িত্ব থাকবে Islamic Revolutionary Guard Corps (IRGC)-এর হাতে।
অন্যদিকে, United States এখনও এই শর্ত নিয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি। তবে এই প্রস্তাব যুদ্ধবিরতি চুক্তির অংশ কি না, তা নিয়েও স্পষ্টতা নেই।
শুধু সামরিক নয়, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও একাধিক শর্ত দিয়েছে Iran। বিদেশে আটকে থাকা সম্পদ মুক্ত করা, এবং রাষ্ট্রপুঞ্জে আনুষ্ঠানিকভাবে শান্তি স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছে তারা।
এছাড়া Lebanon-এর পরিস্থিতিকেও এই চুক্তির আওতায় আনার দাবি তুলেছে Tehran। যদিও Israel ও United States সেই প্রস্তাবে রাজি নয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই কঠোর শর্তগুলি কার্যকর হলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও তেলের বাজারে বড় প্রভাব পড়তে পারে। ফলে পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।



