Home/War/দ্বিতীয় বৈঠকের আগে ট্রাম্পের ‘দারুণ চুক্তি’ বার্তা, যুদ্ধবিরতি নিয়ে বাড়ল জল্পনা
Advertisement
#16
Advertisement
#17
Advertisement
#18
Advertisement
#19
Advertisement
#20

দ্বিতীয় বৈঠকের আগে ট্রাম্পের ‘দারুণ চুক্তি’ বার্তা, যুদ্ধবিরতি নিয়ে বাড়ল জল্পনা

ইরান-আমেরিকা যুদ্ধবিরতির সময়সীমা ঘিরে যখন অনিশ্চয়তা তুঙ্গে, ঠিক তখনই দ্বিতীয় দফার বৈঠকের আগে বড় মন্তব্য করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেহরানের সঙ্গে “দারুণ চুক্তি” হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। তবে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ নিয়ে তাঁর অবস্থান নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়ে গেছে। সাম্প্রতিক আপডেটে যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর দিকেই ঝুঁকেছে ওয়াশিংটন।

Joyjit Sengupta

Joyjit Sengupta

Author from Orange Prime News

Apr 22, 2026
5 min read
113
Share:
দ্বিতীয় বৈঠকের আগে ট্রাম্পের ‘দারুণ চুক্তি’ বার্তা, যুদ্ধবিরতি নিয়ে বাড়ল জল্পনা

ইরান ও আমেরিকার মধ্যে চলমান সংঘাত থামাতে দ্বিতীয় দফার কূটনৈতিক বৈঠককে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে বাড়ছে জল্পনা। এর মাঝেই এক মার্কিন সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তেহরানের সঙ্গে একটি “দারুণ চুক্তি” সম্ভব। তাঁর কথায়, বহু বছর ধরে আগের প্রশাসনগুলি যে জায়গায় পৌঁছতে পারেনি, বর্তমান মার্কিন প্রশাসন সেখানে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে।

ট্রাম্পের এই মন্তব্য এমন সময়ে এল, যখন যুদ্ধবিরতির নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল বুধবার। তবে মঙ্গলবার রাতে নতুন করে ঘোষণা করে তিনি জানান, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় আলোচনা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার স্বার্থে যুদ্ধবিরতি অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ানো হচ্ছে, অন্তত ইরান তাদের পক্ষ থেকে একটি “ঐক্যবদ্ধ প্রস্তাব” না দেওয়া পর্যন্ত।

সূত্রের খবর, ওয়াশিংটনের প্রধান লক্ষ্য এমন একটি সমঝোতা, যাতে আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা কমে এবং অপরিশোধিত তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে আসে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীর পরিস্থিতি বিশ্ব জ্বালানি বাজারের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলছে। পাশাপাশি, আমেরিকা চাইছে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির সামরিক সক্ষমতা সীমিত করা হোক।

অন্যদিকে, তেহরানের অবস্থানও স্পষ্ট। তারা দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার চায় এবং নিজেদের পারমাণবিক কর্মসূচি অক্ষুণ্ণ রাখার পক্ষে সওয়াল করছে। ইরানের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, আলোচনায় যোগ দেওয়ার বিষয়টি এখনও পর্যালোচনায় রয়েছে, যদিও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।

এই পরিস্থিতিতে দ্বিতীয় দফার বৈঠক শুধু যুদ্ধবিরতি নয়, পশ্চিম এশিয়ার ভবিষ্যৎ কূটনৈতিক সমীকরণ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই আলোচনা সফল হলে শুধু যুদ্ধ থামানোই নয়, তেলের বাজারেও স্বস্তি ফিরতে পারে।

Advertisement
#6
Advertisement
#7
Advertisement
#8
Advertisement
#9
Advertisement
#10