পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, ইসলামাবাদের সমস্ত সরকারি দফতর, হোটেল, দূতাবাস এবং বিদেশি সংস্থার কার্যালয়ে বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা। শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলিতে সেনা মোতায়েন করা হয়েছে এবং রাস্তায় চলছে কড়া টহল।
শুধু তাই নয়, ভিভিআইপি জোনে প্রবেশে কড়াকড়ি করা হয়েছে। বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় যান চলাচলেও নিয়ন্ত্রণ আনা হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে রাজধানীর স্কুল-কলেজ দু’দিনের জন্য বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অনেক বাজারও বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।
শনিবার ইসলামাবাদেই আলোচনায় বসার কথা আমেরিকা ও ইরানের প্রতিনিধিদের। এই বৈঠকে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় রয়েছে পাকিস্তান। বৈঠকের ফলাফল কোন দিকে যাবে, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক মহলে বাড়ছে উদ্বেগ ও কৌতূহল।
এদিকে, নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে আকাশপথেও নজরদারি শুরু করেছে পাকিস্তান। পাক বায়ুসেনার বিশেষ বিমান মোতায়েন করা হয়েছে, যাতে বৈঠকের সময় কোনওরকম নিরাপত্তা বিঘ্ন না ঘটে।



