চিঠিতে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, এই যুদ্ধ চালিয়ে আমেরিকার সাধারণ মানুষের আসলে কোন স্বার্থ পূরণ হচ্ছে? ট্রাম্প প্রশাসনের 'আমেরিকা ফার্স্ট' নীতি কি এই যুদ্ধে আদৌ প্রতিফলিত হচ্ছে — এই প্রশ্নও রেখেছেন তিনি।
চিঠিতে পেজেশকিয়ান স্পষ্ট করে বলেছেন, সাধারণ আমেরিকানরা ইরানের শত্রু নন। তাঁর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে আগ্রাসন ও চাপ সহ্য করেও ইরান কখনো নিজে থেকে যুদ্ধ শুরু করেনি। প্রতিবেশী দেশগুলির চেয়ে সামরিক শক্তিতে এগিয়ে থেকেও ইরান উস্কানিমূলক পদক্ষেপ নেয়নি বলেও জানিয়েছেন তিনি। ইরানের জ্বালানি ও শিল্প পরিকাঠামোসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে হামলা চালিয়ে সরাসরি সাধারণ ইরানি নাগরিকদের নিশানা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন পেজেশকিয়ান। এই হামলাকে তিনি যুদ্ধাপরাধ বলে চিহ্নিত করেছেন এবং ইজরায়েলের কথায় প্রভাবিত হয়ে আমেরিকা এই যুদ্ধ চালাচ্ছে বলেও দাবি করেছেন।
উল্লেখযোগ্য যে, এই চিঠি লেখার কয়েক ঘণ্টা পরেই জাতির উদ্দেশে ভাষণে ট্রাম্প দাবি করেন, পেজেশকিয়ান যুদ্ধবিরতির জন্য অনুরোধ করেছেন এবং ইরানের আর দুই থেকে তিন সপ্তাহের বেশি যুদ্ধ চালানোর ক্ষমতা নেই। তবে ট্রাম্পের এই দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছে তেহরান। প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা ও ইজরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা শুরু করে। সেই থেকে গোটা পশ্চিম এশিয়াজুড়ে সংঘাত ছড়িয়ে পড়েছে। এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা এই যুদ্ধ উভয় পক্ষের জন্যই চরম ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে বলে স্বীকার করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট।



