Home/War/আকাশে বি-৫২-এর ছায়া, সমুদ্রে মৃত্যুর মিছিল: খণ্ডন হলো ট্রাম্পের ‘যুদ্ধবিরতি’ তত্ত্ব
Advertisement
#16
Advertisement
#17
Advertisement
#18
Advertisement
#19
Advertisement
#20

আকাশে বি-৫২-এর ছায়া, সমুদ্রে মৃত্যুর মিছিল: খণ্ডন হলো ট্রাম্পের ‘যুদ্ধবিরতি’ তত্ত্ব

পশ্চিম এশিয়ার আকাশ-বাতাস এখন বারুদের গন্ধে ভারী। বুধবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে, আমেরিকার প্রবল প্রত্যাঘাতে কোণঠাসা ইরান শেষ পর্যন্ত যুদ্ধবিরতির জন্য ওয়াশিংটনের দ্বারস্থ হয়েছে। কিন্তু ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই সেই দাবি নস্যাৎ করে দিল ইরান। তেহরানের সামরিক উচ্চপদস্থ কর্তারা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, মাথা নত করার কোনো প্রশ্নই ওঠে না; বরং যুদ্ধের তীব্রতা আরও বাড়ানো হবে।

Joyjit Sengupta

Joyjit Sengupta

Author from Orange Prime News

Apr 2, 2026
5 min read
33
Share:
আকাশে বি-৫২-এর ছায়া, সমুদ্রে মৃত্যুর মিছিল: খণ্ডন হলো ট্রাম্পের ‘যুদ্ধবিরতি’ তত্ত্ব

নিশানা তেহরান: আসরে নামল অদৃশ্য ঘাতক বি-৫২

ইরানকে পুরোপুরি ‘ভাতে মারতে’ এবং তাদের সামরিক পরিকাঠামো গুঁড়িয়ে দিতে এবার নিজেদের তুরুপের তাস ব্যবহার করল আমেরিকা। মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসে এই প্রথম ইরানের উদ্দেশে পাড়ি জমিয়েছে আমেরিকার বিখ্যাত বি-৫২ (B-52) বোমারু যুদ্ধবিমান। মার্কিন বিমান বাহিনীর জেনারেল ড্যান কেইন জানিয়েছেন, এই যুদ্ধবিমানের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এটি রাডারের নজর এড়াতে সক্ষম। মূলত ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি এবং পরমাণু পরিকাঠামো ধ্বংস করতেই এই ‘অদৃশ্য ঘাতক’কে পাঠানো হয়েছে।

হরমুজ প্রণালীতে মানবিক বিপর্যয়

রণক্ষেত্রের ডামাডোলের মাঝে সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে হরমুজ প্রণালীতে। যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে এই রুটটি বন্ধ থাকায় প্রায় ৩০০০ জাহাজ মাঝসমুদ্রে আটকে পড়েছে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, এই জাহাজগুলোতে আটকে আছেন ভারতসহ বিভিন্ন দেশের ২০ হাজারেরও বেশি নাবিক

ইন্টারন্যাশনাল ট্রান্সপোর্ট ওয়ার্কার্স অ্যাসোসিয়েশন (ITF)-এর কাছে পাঠানো আর্তবার্তায় এক নাবিক জানিয়েছেন, "আমরা এখানে মরতে চাই না। আমাদের উদ্ধার করুন।" জাহাজগুলোতে মজুত খাবার এবং পানীয় জল প্রায় শেষ হতে চলেছে। একদিকে মাথার ওপর দিয়ে উড়ে যাওয়া মিসাইলের ভয়, অন্যদিকে তিলে তিলে অভুক্ত থেকে মৃত্যুর আতঙ্ক—এই দুইয়ের যাঁতাকলে পিষ্ট হচ্ছেন সাধারণ কর্মীরা।

লেবানন সীমান্তে অব্যাহত রক্তপাত

কেবল ইরান নয়, যুদ্ধের আঁচ ছড়িয়ে পড়েছে লেবাননের দক্ষিণ প্রান্তেও। ইজরায়েলি ডিফেন্স ফোর্স (IDF) দক্ষিণ লেবাননের একাধিক জায়গায় মুহুর্মুহু বোমাবর্ষণ করছে। পালটা জবাব দিচ্ছে হেজবোল্লা বাহিনীও। আল মনসুরিতে এমনই এক সংঘর্ষে দুই ব্যক্তির মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

উপসংহার

ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী আর দুই সপ্তাহের মধ্যে যুদ্ধ থামবে কি না, তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে। কারণ ইরান যেভাবে পালটা প্রতিরোধের ডাক দিচ্ছে এবং আমেরিকা যেভাবে বি-৫২-এর মতো মারণাস্ত্র মোতায়েন করছে, তাতে পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার কোনো লক্ষণই দেখা যাচ্ছে না। তবে এই শক্তির লড়াইয়ের মাঝে হরমুজে আটকে থাকা ২০ হাজার মানুষের জীবন এখন সুতোর ওপর ঝুলছে। বিশ্ব বাণিজ্য সচল রাখা নাকি সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রাখা—কোনটি এখন অগ্রাধিকার পাবে, তার ওপরই নির্ভর করছে ২০ হাজার নাবিকের ভবিষ্যৎ।

Advertisement
#6
Advertisement
#7
Advertisement
#8
Advertisement
#9
Advertisement
#10