Home/War/২৪ ঘণ্টায় দ্বিতীয়বার ইজরায়েলে হুথি হামলা, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
Advertisement
#16
Advertisement
#17
Advertisement
#18
Advertisement
#19
Advertisement
#20

২৪ ঘণ্টায় দ্বিতীয়বার ইজরায়েলে হুথি হামলা, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

২৪ ঘণ্টার মধ্যেই দ্বিতীয়বার ইজরায়েলের ওপর হামলা চালাল ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠী। ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন আক্রমণে উত্তেজনা চরমে। ইজরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আংশিক ব্যর্থ হয়েছে বলেই দাবি বিভিন্ন মহলের। পরিস্থিতি ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

Joyjit Sengupta

Joyjit Sengupta

Author from Orange Prime News

Mar 29, 2026
5 min read
49
Share:
২৪ ঘণ্টায় দ্বিতীয়বার ইজরায়েলে হুথি হামলা, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের আগুন আরও এক ধাপ বাড়িয়ে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দ্বিতীয়বার ইজরায়েলের ওপর হামলা চালাল ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা। এই হামলার পর থেকেই আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ইজরায়েলের অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

সূত্রের খবর, সর্বশেষ হামলায় একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে। ইজরায়েলের বিভিন্ন অঞ্চলে সতর্কতা সাইরেন বেজে ওঠে, এবং বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। যদিও বেশ কিছু আক্রমণ প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে বলে দাবি করেছে ইজরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী, তবে কিছু ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা বলয় ভেদ করে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে বলেও জানা যাচ্ছে।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে ইজরায়েলের বহুল প্রচারিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে। দীর্ঘদিন ধরেই ‘আয়রন ডোম’ সহ একাধিক প্রতিরক্ষা প্রযুক্তিকে প্রায় অপ্রতিরোধ্য বলে মনে করা হত। কিন্তু সাম্প্রতিক হামলায় সেই ধারণায় চিড় ধরেছে বলে মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, একযোগে একাধিক দিক থেকে হামলা হলে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর চাপ বেড়ে যায়, ফলে কিছু ক্ষেত্রে ফাঁক থেকে যেতে পারে।

হুথি গোষ্ঠী ইতিমধ্যেই এই হামলার দায় স্বীকার করেছে। তাদের দাবি, এটি ইজরায়েলের সাম্প্রতিক সামরিক পদক্ষেপের প্রতিক্রিয়া। পাশাপাশি তারা আরও হামলার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, ইয়েমেনের এই গোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরেই ইরানের সমর্থনপুষ্ট বলে অভিযোগ রয়েছে, যদিও বিষয়টি নিয়ে আন্তর্জাতিক স্তরে বিতর্ক রয়েছে।

অন্যদিকে ইজরায়েল সরকার এই হামলাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার পাশাপাশি পাল্টা পদক্ষেপের কথাও ভাবা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর। দেশের অভ্যন্তরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানো হয়েছে এবং সেনাবাহিনীকে উচ্চ সতর্কতায় রাখা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের ধারাবাহিক হামলা শুধু ইজরায়েল-হুথি সংঘাতের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং গোটা মধ্যপ্রাচ্যকে একটি বড় যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিতে পারে। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন শক্তিধর দেশ পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে এবং কূটনৈতিক স্তরে উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

এই প্রেক্ষাপটে সাধারণ মানুষের মধ্যেও আতঙ্ক ছড়িয়েছে। সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলিতে বসবাসকারী মানুষজন সবচেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন। বারবার সাইরেন বাজা এবং হামলার আশঙ্কা তাদের দৈনন্দিন জীবনকে ব্যাহত করছে।

সব মিলিয়ে পরিস্থিতি অত্যন্ত স্পর্শকাতর হয়ে উঠেছে। আগামী দিনে এই সংঘাত কোন দিকে মোড় নেয়, সেটাই এখন দেখার। আন্তর্জাতিক মহলের হস্তক্ষেপ এবং কূটনৈতিক আলোচনার ওপরই অনেকটাই নির্ভর করছে পরিস্থিতির ভবিষ্যৎ।

Advertisement
#6
Advertisement
#7
Advertisement
#8
Advertisement
#9
Advertisement
#10