দুটি বিমান থেকে দুজন পাইলটকে উদ্ধার করা গেলেও একজনের এখনও কোনো খোঁজ নেই। নিখোঁজ পাইলটকে খুঁজতে দুটি Blackhawk হেলিকপ্টার পাঠানো হলে সেগুলিতেও গুলি চালায় ইরানি সেনা। কোনোরকমে পালিয়ে বাঁচলেও তল্লাশি অভিযান সম্ভব হয়নি।
যেখানে F-15E বিমানটি ভেঙে পড়েছে সেই এলাকা ঘিরে রেখেছে ইরানের Revolutionary Guard বাহিনী। ইরানের সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে, মার্কিন পাইলটকে জীবন্ত ধরে আনতে পারলে পুরস্কার মিলবে। অন্যদিকে আমেরিকাও মরিয়া হয়ে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছে। তবে ইরানি সেনার অবরোধের কারণে উদ্ধার অভিযান কার্যত থমকে গেছে। এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্প কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। জানিয়েছেন, বিষয়টি সংবেদনশীল, তাই প্রকাশ্যে কিছু বলা ঠিক হবে না।
বিমান ধ্বংসের কথা মেনে নিলেও ট্রাম্প দাবি করেছেন, এর কোনো প্রভাব সমঝোতার আলোচনায় পড়বে না। কিন্তু বাস্তব চিত্র ভিন্ন কথা বলছে। পাকিস্তানে আমেরিকার সঙ্গে আলোচনায় বসার আর্জি ইতিমধ্যেই খারিজ করে দিয়েছে ইরান। ফলে কূটনৈতিক পথেও আপাতত সমাধানের সম্ভাবনা ক্ষীণ। এখন পর্যন্ত পশ্চিম এশিয়ার এই যুদ্ধে ১৩ জন মার্কিন সেনার মৃত্যু হয়েছে এবং ৩০০-র বেশি জন আহত হয়েছেন। পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, ট্রাম্প যে যুদ্ধ শুরু করেছিলেন সেটি এখন তাঁর নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে শুরু করেছে।



