Home/India/যন্তর মন্তরের বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লিতে কড়া নিরাপত্তা, আটক ধ্রুব রাঠি ও আইনি উপদেষ্টা! ইন্টারনেট বন্ধ, বাতিল ট্রেন
Advertisement
#16
Advertisement
#17
Advertisement
#18
Advertisement
#19
Advertisement
#20

যন্তর মন্তরের বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লিতে কড়া নিরাপত্তা, আটক ধ্রুব রাঠি ও আইনি উপদেষ্টা! ইন্টারনেট বন্ধ, বাতিল ট্রেন

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার Gyanesh Kumar-এর পদত্যাগের দাবিতে CJP-র যন্তর মন্তর অভিযান ঘিরে উত্তপ্ত দিল্লি। বিক্ষোভের অনুমতি না থাকলেও কর্মসূচি চালানোর ঘোষণা দিয়েছেন সংগঠনের নেতা Abhijit Deepak। এর মধ্যেই Gurugram-এর বাড়ি থেকে জনপ্রিয় YouTuber Dhruv Rathee-কে আটক করার খবর সামনে এসেছে। সংগঠনের আইনি উপদেষ্টা Ratna Singh-ও আটক হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। নিরাপত্তা জোরদার, ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ এবং একাধিক ট্রেন বাতিলের খবর ঘিরে রাজধানীতে তৈরি হয়েছে তীব্র উত্তেজনা।

Joyjit Sengupta

Joyjit Sengupta

Author from Orange Prime News

Oct 10, 2026
•5 min read•
8
Share:
যন্তর মন্তরের বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লিতে কড়া নিরাপত্তা, আটক ধ্রুব রাঠি ও আইনি উপদেষ্টা! ইন্টারনেট বন্ধ, বাতিল ট্রেন

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার Gyanesh Kumar-এর পদত্যাগের দাবিতে CJP-র বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শনিবার নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে দিল্লির একাধিক এলাকা। যন্তর মন্তরে প্রস্তাবিত এই কর্মসূচি ঘিরে আগে থেকেই সতর্ক ছিল প্রশাসন। বিক্ষোভের অনুমতি দেওয়া হয়নি বলে দিল্লি পুলিশের বক্তব্য। কিন্তু সেই নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন সংগঠনের নেতা Abhijit Deepak। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ ও আধাসেনা মোতায়েন, নজরদারি বৃদ্ধি এবং একাধিক বিধিনিষেধ কার্যকর করার খবর সামনে এসেছে।

প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিক্ষোভের আগে রাতভর অভিযানে প্রায় এক হাজার জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। Gurugram-এর বাসভবন থেকে YouTuber Dhruv Rathee-কে আটক করার খবরও প্রকাশ্যে এসেছে। পাশাপাশি CJP-র আইনি উপদেষ্টা Ratna Singh-কে আটক করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে তাঁদের আটকের নির্দিষ্ট আইনি কারণ, কোথায় রাখা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ কী—সেই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া প্রয়োজন।

Gyanesh Kumar-এর পদত্যাগের দাবিতে কর্মসূচি

মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিকে সামনে রেখেই যন্তর মন্তরে জমায়েতের ডাক দিয়েছে CJP। সংগঠনের নেতা Abhijit Deepak-সহ আন্দোলনকারীদের একাংশ দিল্লির উদ্দেশে রওনা হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। শনিবার সকাল থেকেই যন্তর মন্তর এলাকায় জমায়েত শুরু হওয়ার খবর পাওয়া যায়।

প্রশাসনের তরফে অবশ্য স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে, এই কর্মসূচির জন্য অনুমতি দেওয়া হয়নি। দিল্লি পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, নির্দিষ্ট বিধিনিষেধের মধ্যে থেকে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা জরুরি। কোনও ব্যক্তি বা সংগঠন নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।

অন্যদিকে, আন্দোলনকারীদের অবস্থানও কঠোর। Abhijit Deepak জানিয়েছেন, বাধা সত্ত্বেও কর্মী-সমর্থক এবং আন্দোলনকারীরা যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ চালিয়ে যেতে চান। ফলে প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা এবং আন্দোলনকারীদের কর্মসূচি চালানোর ঘোষণাকে ঘিরে সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ধ্রুব রাঠিকে আটক করার খবর

এই বিক্ষোভকে ঘিরে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে জনপ্রিয় YouTuber Dhruv Rathee-কে আটকের খবর। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, Gurugram-এ তাঁর বাসভবন থেকে তাঁকে আটক করা হয়েছে। তবে তাঁকে ঠিক কোন অভিযোগে আটক করা হয়েছে, পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়েছে কি না, কিংবা তাঁকে কোনও মামলায় আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে কি না—সেই বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য প্রকাশিত প্রতিবেদনে নেই।

আটক এবং গ্রেপ্তার আইনি দিক থেকে এক নয়। তাই প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা সংশ্লিষ্ট নথি সামনে না আসা পর্যন্ত ঘটনাটিকে ঘিরে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনো ঠিক হবে না।

CJP-র আইনি উপদেষ্টা Ratna Singh-কে আটক করার খবরও একই সঙ্গে সামনে এসেছে। সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের এই পদক্ষেপের ফলে আন্দোলনের প্রস্তুতি ও নেতৃত্বের উপর প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কী অভিযোগ রয়েছে এবং তাঁদের সঙ্গে বিক্ষোভের পরিকল্পনার কী সম্পর্ক, তা স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন।

মধ্য দিল্লিতে BNSS-এর ১৬৩ ধারা

দিল্লির আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মধ্য দিল্লির একাধিক এলাকায় Bharatiya Nagarik Suraksha Sanhita (BNSS)-এর ১৬৩ ধারা কার্যকর করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এই ধারার অধীনে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে জনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে জরুরি নির্দেশ জারি করা যায়। পরিস্থিতি অনুযায়ী জমায়েত, চলাচল বা অন্যান্য কার্যকলাপের উপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হতে পারে।

পুলিশের তরফে সতর্ক করা হয়েছে, জারি করা নির্দেশ অমান্য করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিক্ষোভ ঘিরে যাতে সংঘর্ষ, বিশৃঙ্খলা কিংবা সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা বিঘ্নিত না হয়, সেই লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ বলে প্রশাসনিক সূত্রের দাবি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, শহরের বিভিন্ন এলাকায় ড্রোনের সাহায্যে নজরদারি চালানো হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা, জনবহুল এলাকা এবং সম্ভাব্য জমায়েতের স্থানগুলিতে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। পুলিশ ও আধাসেনার বিপুল সংখ্যক কর্মী মোতায়েনের কথাও জানানো হয়েছে।

জনপথ-কর্তব্যপথ এলাকায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ

বিক্ষোভের দিন নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কঠোর করতে জনপথ-কর্তব্যপথ ক্রসিংয়ের চার কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে ইন্টারনেট পরিষেবা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। নির্দেশটি ১০ অক্টোবর রাত ১০টা পর্যন্ত কার্যকর থাকার কথা জানানো হয়েছে।

ডেপুটি পুলিশ কমিশনারের বক্তব্য অনুযায়ী, এই বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কাছে আবেদন করা হয়েছিল এবং তাতে সাড়া পাওয়া গিয়েছে। তবে কোন কোন পরিষেবা, এলাকা ও গ্রাহক এই বিধিনিষেধের আওতায় পড়ছেন, তা জানতে সরকারি নির্দেশের বিস্তারিত বিবরণ গুরুত্বপূর্ণ।

ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখার ফলে ওই এলাকার বাসিন্দা, কর্মজীবী মানুষ, ব্যবসায়ী এবং যাতায়াতকারী যাত্রীদের অসুবিধা হতে পারে। বিশেষ করে অনলাইন যোগাযোগ, ডিজিটাল পেমেন্ট, নেভিগেশন এবং জরুরি তথ্য আদানপ্রদানের ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

প্রশাসনের তরফে এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হিসেবে নিরাপত্তা বজায় রাখার বিষয়টি উঠে এসেছে। তবে পরিষেবা বন্ধ রাখার প্রয়োজনীয়তা এবং তার প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পরিষেবা কখন পুনরায় চালু হবে, সেটিও সাধারণ মানুষের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

২৬ হাজার পুলিশ ও আধাসেনা মোতায়েনের দাবি

যন্তর মন্তরের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজধানীর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নজিরবিহীনভাবে জোরদার করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। শহরজুড়ে প্রায় ২৬ হাজার পুলিশ ও আধাসেনার কর্মী মোতায়েনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবন, রাস্তাঘাট, স্টেশন এবং জনসমাগমের সম্ভাবনা রয়েছে এমন জায়গাগুলিতে বাড়তি নজরদারি রাখা হচ্ছে বলে খবর।

ড্রোনের মাধ্যমে আকাশপথে নজরদারির পাশাপাশি মাটিতেও নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতি বাড়ানো হয়েছে। কোনও এলাকায় হঠাৎ জমায়েত বা পরিস্থিতির অবনতি হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার লক্ষ্যেই এই প্রস্তুতি বলে মনে করা হচ্ছে।

তবে এত বিপুল নিরাপত্তা ব্যবস্থা সত্ত্বেও বিক্ষোভ কতটা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হবে, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। আন্দোলনকারীরা কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেওয়ায় প্রশাসনের সামনে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে।

রেল পরিষেবায় বিঘ্ন, বাতিল কলকাতা-দিল্লি রাজধানী

দিল্লিতে নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিধিনিষেধের প্রভাব পড়েছে রেল চলাচলেও। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, New Delhi Railway Station-এ ট্রেন ঢোকা বন্ধ রাখা হয়েছে। একই ধরনের পরিস্থিতির কথা জানানো হয়েছে Hazrat Nizamuddin Railway Station-কে ঘিরেও।

এর ফলে একাধিক ট্রেনের চলাচল ব্যাহত হয়েছে বলে খবর। কলকাতা থেকে দিল্লিগামী জোড়া Rajdhani Express বাতিল হওয়ার কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে বাতিল ট্রেনের নির্দিষ্ট নম্বর, যাত্রার তারিখ এবং বিকল্প ব্যবস্থার বিষয়ে যাত্রীদের সংশ্লিষ্ট রেল কর্তৃপক্ষের সর্বশেষ বিজ্ঞপ্তি দেখে নেওয়া জরুরি।

রাজধানীতে যাতায়াতের ক্ষেত্রে এমন বিঘ্নের ফলে যাত্রীদের পরিকল্পনা বদলাতে হতে পারে। বিশেষ করে যাঁরা চিকিৎসা, কাজ, পড়াশোনা বা জরুরি প্রয়োজনে দিল্লি যাচ্ছেন, তাঁদের জন্য পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হতে পারে।

রেল পরিষেবায় বিধিনিষেধ কতক্ষণ চলবে, কোন কোন ট্রেনের উপর তার প্রভাব পড়বে এবং পরিষেবা কখন স্বাভাবিক হবে—এই প্রশ্নগুলির উত্তর প্রশাসনের পরবর্তী ঘোষণার উপর নির্ভর করছে।

প্রশাসনের যুক্তি বনাম আন্দোলনকারীদের অভিযোগ

বিক্ষোভ ঘিরে প্রশাসন এবং আন্দোলনকারীদের বক্তব্যে স্পষ্ট বিরোধ দেখা যাচ্ছে। পুলিশের অবস্থান, অনুমতি ছাড়া কর্মসূচি আয়োজন করা যাবে না এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিধিনিষেধ মানতে হবে। অন্যদিকে, Abhijit Deepak-এর বক্তব্যে উঠে এসেছে সাধারণ মানুষের ভোগান্তির প্রশ্ন।

তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, বিক্ষোভের কারণে জনসাধারণের অসুবিধা হবে বলে প্রশাসন যখন সতর্ক করছে, তখন মেট্রো ও রেল পরিষেবায় বাধা এবং রাস্তা বন্ধ থাকার ফলেও তো মানুষের ভোগান্তি হচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, নিরাপত্তার নামে নেওয়া পদক্ষেপগুলির প্রভাবও সাধারণ মানুষের উপর পড়ছে।

এই বক্তব্যের মাধ্যমে আন্দোলনকারীরা বোঝাতে চাইছেন, প্রশাসনিক বিধিনিষেধের কারণে বিক্ষোভের বাইরেও জনজীবনে প্রভাব পড়ছে। অন্যদিকে, পুলিশ মনে করছে, সম্ভাব্য উত্তেজনা ও সংঘর্ষ এড়াতে আগাম ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

দুই পক্ষের অবস্থানের মধ্যে এই বিরোধ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। একদিকে বিক্ষোভের অধিকার ও রাজনৈতিক দাবির প্রশ্ন, অন্যদিকে জননিরাপত্তা এবং আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার দায়িত্ব—এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা প্রশাসনের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ।

পরিস্থিতির দিকে নজর গোটা দেশের

Gyanesh Kumar-এর পদত্যাগের দাবিতে CJP-র এই কর্মসূচি ঘিরে দিল্লির পরিস্থিতি এখন জাতীয় স্তরে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। যন্তর মন্তরে জমায়েত, একাধিক ব্যক্তিকে আটক করার খবর, ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ এবং রেল চলাচলে বিঘ্ন—সব মিলিয়ে পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

তবে বিক্ষোভের চূড়ান্ত পরিণতি কী হবে, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং রেল ও ইন্টারনেট পরিষেবা কখন স্বাভাবিক হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। প্রশাসনের পরবর্তী ঘোষণা এবং আন্দোলনকারীদের পদক্ষেপের উপরই পরিস্থিতির পরবর্তী গতিপথ নির্ভর করবে।

সব মিলিয়ে, শনিবারের কর্মসূচি ঘিরে দিল্লিতে নিরাপত্তা ও জনজীবন—দুই ক্ষেত্রেই বড় প্রভাব পড়েছে বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। তবে আটক, গ্রেপ্তার, ইন্টারনেট বন্ধ এবং ট্রেন বাতিল সংক্রান্ত তথ্যের পূর্ণাঙ্গ সরকারি বিবরণ সামনে এলে পরিস্থিতি সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।

Tags:India
Advertisement
#6
Advertisement
#7
Advertisement
#8
Advertisement
#9
Advertisement
#10