Home/India/‘সুপার সুখোই’ থেকে এস-৪০০, পন্টসার! মোদি-পুতিন বৈঠকে বড় অস্ত্রচুক্তির সম্ভাবনা
Advertisement
#16
Advertisement
#17
Advertisement
#18
Advertisement
#19
Advertisement
#20

‘সুপার সুখোই’ থেকে এস-৪০০, পন্টসার! মোদি-পুতিন বৈঠকে বড় অস্ত্রচুক্তির সম্ভাবনা

ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে এসেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হওয়ার কথা। বাণিজ্য, জ্বালানি ও প্রযুক্তির পাশাপাশি প্রতিরক্ষা সহযোগিতাও হতে চলেছে আলোচনার অন্যতম প্রধান বিষয়। সরকারি সূত্রের দাবি, বৈঠকেই পঞ্চম প্রজন্মের স্টেলথ যুদ্ধবিমান সুখোই এসইউ-৫৭-এর যৌথ উৎপাদন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হতে পারে। পাশাপাশি ভারতীয় বায়ুসেনার ‘সুপার সুখোই’ প্রকল্প, অতিরিক্ত এস-৪০০ এবং পন্টসার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনার বিষয়েও চূড়ান্ত আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

Joyjit Sengupta

Joyjit Sengupta

Author from Orange Prime News

Sep 11, 2026
•5 min read•
19
Share:
‘সুপার সুখোই’ থেকে এস-৪০০, পন্টসার! মোদি-পুতিন বৈঠকে বড় অস্ত্রচুক্তির সম্ভাবনা

দিল্লিতে মোদি-পুতিন বৈঠক, নজরে প্রতিরক্ষা চুক্তি

ব্রিকস সম্মেলনকে কেন্দ্র করে তিন দিনের ভারত সফরে এসেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। সফরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্বগুলির মধ্যে অন্যতম হতে চলেছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তাঁর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক।

আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে একাধিক পরিবর্তনের মধ্যেই এই বৈঠক হচ্ছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা এবং ভারত-আমেরিকা সম্পর্কের নতুন সমীকরণের মধ্যে মস্কো-নয়াদিল্লি প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ভবিষ্যৎ নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

সরকারি সূত্রের দাবি, শুক্রবারের বৈঠকে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হতে পারে। তার মধ্যে সবচেয়ে বড় বিষয় হতে পারে রুশ পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান সুখোই এসইউ-৫৭-এর ভারতীয় সংস্করণ যৌথভাবে তৈরির পরিকল্পনা।

সুখোই এসইউ-৫৭ কি ভারতে তৈরি হবে?

রাশিয়ার প্রস্তাব অনুযায়ী, এসইউ-৫৭-এর রপ্তানি সংস্করণ এসইউ-৫৭ই নিয়ে ভারতের সঙ্গে যৌথ উৎপাদনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

শুধু তৈরি যুদ্ধবিমান কেনার পরিবর্তে ভারতে যৌথভাবে যুদ্ধবিমান উৎপাদনের প্রস্তাবই এই আলোচনাকে আলাদা গুরুত্ব দিচ্ছে। কারণ এর মাধ্যমে ভারতীয় প্রতিরক্ষা শিল্পের সঙ্গে রুশ প্রযুক্তির আরও গভীর সংযোগ তৈরি হতে পারে।

রাশিয়ার তরফে এর আগে প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং যৌথ উৎপাদনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। ফলে শুক্রবারের বৈঠকে এই প্রস্তাবের কাঠামো, প্রযুক্তি ভাগাভাগি, উৎপাদন এবং ভবিষ্যৎ রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

তবে বৈঠকেই চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষর হবে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। সরকারি সূত্রের ইঙ্গিতকে সম্ভাব্য সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

‘সুপার সুখোই’ প্রকল্পেও বড় আপডেট?

ভারতীয় বায়ুসেনার হাতে থাকা সুখোই-৩০ এমকেআই যুদ্ধবিমান আধুনিকীকরণের বিষয়টিও বৈঠকের আলোচনায় থাকতে পারে।

সুখোই-৩০ এমকেআই দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় বায়ুসেনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধবিমান। সময়ের সঙ্গে যুদ্ধক্ষেত্রের প্রযুক্তি বদলানোর ফলে এই বিমানগুলিকে আরও আধুনিক অস্ত্র, সেন্সর এবং অ্যাভিয়নিক্স ব্যবস্থায় সজ্জিত করার প্রয়োজন তৈরি হয়েছে।

এই আধুনিকীকরণ প্রকল্পই পরিচিত ‘সুপার সুখোই’ নামে। প্রস্তাবিত আপগ্রেডের মাধ্যমে সুখোই-৩০ এমকেআই-এর যুদ্ধক্ষমতা আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

রাশিয়ার সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ক্ষেত্রে এই প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ভারতীয় বায়ুসেনার বড় সংখ্যক সুখোই বিমানের সঙ্গে রুশ প্রযুক্তির দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে।

আরও এস-৪০০ কেনার সম্ভাবনা

শুধু যুদ্ধবিমান নয়, আকাশ প্রতিরক্ষাতেও রাশিয়ার উপর নির্ভরতা বজায় রাখার সম্ভাবনা রয়েছে ভারতের।

ভারত ইতিমধ্যেই রাশিয়ার তৈরি এস-৪০০ ট্রায়াম্ফ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করছে। দীর্ঘপাল্লার এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভারতের বহুস্তরীয় এয়ার ডিফেন্স নেটওয়ার্কের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

আরও এস-৪০০ ইউনিট কেনার বিষয়েও দুই দেশের মধ্যে আলোচনা হতে পারে বলে সরকারি সূত্রের দাবি।

ভারতের দৃষ্টিকোণ থেকে এর গুরুত্ব যথেষ্ট। কারণ আকাশপথে যুদ্ধবিমান, ক্রুজ মিসাইল বা অন্যান্য হুমকি মোকাবিলায় দীর্ঘপাল্লার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তবে নতুন করে কতগুলি ইউনিট কেনা হবে, তার মূল্য কত এবং সরবরাহের সময়সীমা কী হবে—এসব বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত তথ্য সামনে আসেনি।

পন্টসার নিয়েও আগ্রহ ভারতের

আলোচনায় থাকতে পারে রাশিয়ার পন্টসার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও।

পন্টসার মূলত স্বল্প ও মাঝারি পাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অংশ। বিমান, ড্রোন এবং নির্দিষ্ট ধরনের ক্ষেপণাস্ত্রের মতো আকাশপথের হুমকি মোকাবিলায় এই ধরনের ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়।

এস-৪০০-এর মতো দীর্ঘপাল্লার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে তুলনায় পন্টসারের ভূমিকা আলাদা। ফলে বিভিন্ন পাল্লার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মিলিয়ে একটি স্তরভিত্তিক এয়ার ডিফেন্স নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এই ধরনের সিস্টেম গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

তবে পন্টসার কেনার বিষয়টি বৈঠকে আলোচিত হলেও সেটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পরিণত হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

একদিকে F-35, অন্যদিকে রুশ প্রস্তাব

ভারতের সামনে বর্তমানে পশ্চিমা এবং রুশ—দুই ধরনের প্রতিরক্ষা সহযোগিতার সুযোগ রয়েছে।

২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমেরিকা সফরের সময় তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতকে এফ-৩৫ লাইটনিং ২ যুদ্ধবিমানের প্রস্তাব দিয়েছিলেন।

এফ-৩৫ বিশ্বের অন্যতম পরিচিত পঞ্চম প্রজন্মের স্টেলথ যুদ্ধবিমান। ফলে মার্কিন প্রস্তাব স্বাভাবিকভাবেই আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা মহলে যথেষ্ট আলোড়ন তৈরি করেছিল।

এর পরেই রাশিয়ার তরফে আরও বড় প্রস্তাব সামনে আসে। গত মার্চে ভারতকে এসইউ-৫৭ই যুদ্ধবিমানের যৌথ উৎপাদন এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরের প্রস্তাব দেওয়া হয় বলে জানা যায়।

অর্থাৎ দিল্লির সামনে শুধু একটি যুদ্ধবিমান কেনার প্রশ্ন নেই। বিষয়টির সঙ্গে প্রযুক্তি হস্তান্তর, দেশীয় উৎপাদন এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রতিরক্ষা সহযোগিতার প্রশ্নও জড়িয়ে রয়েছে।

কেন রাশিয়ার প্রস্তাব ভারতের কাছে গুরুত্বপূর্ণ?

ভারত গত কয়েক দশক ধরে রাশিয়ার সঙ্গে গভীর প্রতিরক্ষা সম্পর্ক বজায় রেখেছে। ভারতীয় সামরিক বাহিনীর বহু গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম, অস্ত্র এবং প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রুশ উৎসের।

ফলে রুশ প্রযুক্তির সঙ্গে ভারতীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার দীর্ঘদিনের সামঞ্জস্য রয়েছে। একইসঙ্গে দেশে রক্ষণাবেক্ষণ, যন্ত্রাংশ এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতার একটি বড় পরিকাঠামোও তৈরি হয়েছে।

যৌথ উৎপাদনের প্রস্তাব সেই সম্পর্ককে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। বিশেষ করে প্রযুক্তি হস্তান্তর সত্যিই কতটা হবে, সেটিই ভারতের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলির একটি।

কারণ ভারত এখন শুধু বিদেশ থেকে অস্ত্র কেনার পরিবর্তে দেশীয় প্রতিরক্ষা উৎপাদন বাড়ানোর দিকে জোর দিচ্ছে।

‘মেক ইন ইন্ডিয়া’তে নতুন সুযোগ?

এসইউ-৫৭-এর যৌথ উৎপাদন হলে তা ভারতের ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ এবং প্রতিরক্ষা উৎপাদন নীতির সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে পারে।

দেশে যুদ্ধবিমান তৈরির সক্ষমতা বাড়ানো, স্থানীয় সরবরাহ ব্যবস্থা তৈরি এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতা উন্নত করা—এই তিন ক্ষেত্রেই এমন প্রকল্পের প্রভাব পড়তে পারে।

তবে যৌথ উৎপাদনের ক্ষেত্রে প্রযুক্তির কতটা অংশ ভারতে আসবে, স্থানীয় উপাদানের ব্যবহার কতটা হবে এবং উৎপাদনের অধিকার কীভাবে ভাগ হবে—এসব প্রশ্ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

চুক্তির শর্ত প্রকাশ্যে না আসা পর্যন্ত এই বিষয়গুলিতে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা কঠিন।

রাশিয়া-আমেরিকার টানাপোড়েনে ভারতের ভারসাম্যনীতি

ভারতের প্রতিরক্ষা নীতি এখন এমন একটি সময়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে, যখন মস্কো এবং ওয়াশিংটন—দুই পক্ষের সঙ্গেই কৌশলগত সম্পর্ক বজায় রাখা প্রয়োজন।

আমেরিকার সঙ্গে ভারতীয় প্রতিরক্ষা সহযোগিতা গত কয়েক বছরে দ্রুত বেড়েছে। অন্যদিকে রাশিয়া এখনও ভারতের প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার।

তাই দিল্লি কোনও একটি দেশের উপর সম্পূর্ণ নির্ভরতার পরিবর্তে বিভিন্ন উৎস থেকে প্রযুক্তি এবং সামরিক সক্ষমতা অর্জনের কৌশল নিয়েছে।

রুশ এসইউ-৫৭-এর সম্ভাব্য যৌথ উৎপাদনের সিদ্ধান্তকে সেই বৃহত্তর কৌশলের অংশ হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে চুক্তির আলাদা গুরুত্ব

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পর মস্কোর সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বজায় রাখা ভারতের জন্য কূটনৈতিকভাবে আরও সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে।

পশ্চিমা দেশগুলির একাংশ রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। কিন্তু ভারত বারবার জানিয়েছে, দেশের জাতীয় স্বার্থ অনুযায়ী প্রতিরক্ষা এবং জ্বালানি সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এই পরিস্থিতিতে পুতিনের ভারত সফরে বড় প্রতিরক্ষা চুক্তির সম্ভাবনা আন্তর্জাতিক মহলের নজর কাড়ছে।

বিশেষ করে যদি এসইউ-৫৭-এর যৌথ উৎপাদন বা নতুন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হয়, তাহলে তা ভারত-রাশিয়া সম্পর্কের ভবিষ্যৎ দিক নির্দেশ করতে পারে।

আজই কি চূড়ান্ত হবে অস্ত্রচুক্তি?

সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, শুক্রবার মোদি-পুতিন বৈঠকেই কি একাধিক প্রতিরক্ষা চুক্তি চূড়ান্ত হবে?

সরকারি সূত্রের দাবি অনুযায়ী, এসইউ-৫৭, সুপার সুখোই, এস-৪০০ এবং পন্টসার নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু আলোচনায় থাকা প্রতিটি প্রস্তাবই একই দিনে চূড়ান্ত চুক্তিতে পরিণত হবে—এমন নিশ্চয়তা এখনও নেই।

বিশেষ করে যুদ্ধবিমান যৌথ উৎপাদনের মতো বড় প্রকল্পে প্রযুক্তি, অর্থ, উৎপাদন কাঠামো এবং দীর্ঘমেয়াদি রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে বিস্তারিত সমঝোতা প্রয়োজন।

ফলে শুক্রবারের বৈঠককে চূড়ান্ত চুক্তির পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রতিরক্ষা সহযোগিতার রূপরেখা নির্ধারণের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

সব মিলিয়ে, পুতিনের ভারত সফরের সবচেয়ে বড় আকর্ষণগুলির একটি হয়ে উঠেছে সম্ভাব্য প্রতিরক্ষা সমঝোতা। আমেরিকার এফ-৩৫ প্রস্তাবের পর রাশিয়ার এসইউ-৫৭ই যৌথ উৎপাদনের প্রস্তাব ভারতের সামনে নতুন বিকল্প তৈরি করেছে। এর সঙ্গে ‘সুপার সুখোই’, এস-৪০০ এবং পন্টসার নিয়ে আলোচনাও যোগ হয়েছে। শেষ পর্যন্ত দিল্লি কতটা এগোয় এবং শুক্রবারের মোদি-পুতিন বৈঠক থেকে কী সিদ্ধান্ত বেরিয়ে আসে, এখন সেদিকেই নজর প্রতিরক্ষা মহলের।

Tags:India
Advertisement
#6
Advertisement
#7
Advertisement
#8
Advertisement
#9
Advertisement
#10