Home/India/মোদির সঙ্গে বৈঠকের পর রাহুলের টেবিলে আনোয়ার! ব্রিকস সফরে ‘দুই মেরু’র সঙ্গেই বন্ধুত্বের বার্তা মালয়েশিয়ার
Advertisement
#16
Advertisement
#17
Advertisement
#18
Advertisement
#19
Advertisement
#20

মোদির সঙ্গে বৈঠকের পর রাহুলের টেবিলে আনোয়ার! ব্রিকস সফরে ‘দুই মেরু’র সঙ্গেই বন্ধুত্বের বার্তা মালয়েশিয়ার

ব্রিকস সম্মেলন ঘিরে দিল্লিতে ব্যস্ততার মধ্যেই ভারতের শাসক ও বিরোধী—দুই শিবিরের সঙ্গেই যোগাযোগ রাখলেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর রবিবার লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর সঙ্গে প্রাতরাশে দেখা গেল তাঁকে। সেই ছবি সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে আলোচনা। একইসঙ্গে প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের প্রতিও শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁর সঙ্গে পুরনো সম্পর্কের কথাও তুলে ধরেছেন আনোয়ার।

Joyjit Sengupta

Joyjit Sengupta

Author from Orange Prime News

Sep 14, 2026
•5 min read•
16
Share:
মোদির সঙ্গে বৈঠকের পর রাহুলের টেবিলে আনোয়ার! ব্রিকস সফরে ‘দুই মেরু’র সঙ্গেই বন্ধুত্বের বার্তা মালয়েশিয়ার

মোদির বৈঠকের পরই রাহুলের সঙ্গে সাক্ষাৎ

ব্রিকস সম্মেলন উপলক্ষে দিল্লিতে হাজির হয়েছেন একাধিক রাষ্ট্রনেতা। সম্মেলনের নির্ধারিত কর্মসূচির পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে ভারতের রাজনৈতিক নেতৃত্বের একাধিক বৈঠকও হচ্ছে। সেই ব্যস্ততার মধ্যেই মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের রাহুল গান্ধীর সঙ্গে সাক্ষাৎ বিশেষভাবে নজর কেড়েছে।

রবিবার রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর সঙ্গে প্রাতরাশে বসেন আনোয়ার। টেবিলে আরও কয়েকজন আধিকারিক উপস্থিত ছিলেন। প্রকাশ্যে আসা ছবিতে তিন নেতাকে বেশ স্বাভাবিক পরিবেশে কথাবার্তা বলতে দেখা যায়। পরে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা দু’জনেই সেই সাক্ষাতের ছবি ও ভিডিও সোশাল মিডিয়ায় প্রকাশ করেন।

এই সাক্ষাৎ এমন সময়ে হয়েছে, যখন মাত্র একদিন আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন আনোয়ার। ফলে একই ভারত সফরে দেশের প্রধানমন্ত্রী এবং প্রধান বিরোধী দলের শীর্ষ নেতার সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ কূটনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকেও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

ভারত-মালয়েশিয়া সম্পর্কে একাধিক ক্ষেত্রে সহযোগিতার বার্তা

মোদির সঙ্গে বৈঠকে ভারত ও মালয়েশিয়ার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বাণিজ্য থেকে শুরু করে সেমিকন্ডাক্টর, পরিকাঠামো এবং প্রতিরক্ষা—একাধিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে কথা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ দেশ হিসেবে মালয়েশিয়ার সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের কৌশলগত গুরুত্ব রয়েছে। বিশেষ করে ASEAN অঞ্চলের সঙ্গে ভারতের যোগাযোগের ক্ষেত্রে মালয়েশিয়া গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার।

এই প্রেক্ষাপটে আনোয়ারের ভারত সফর শুধু ব্রিকস সম্মেলনে অংশগ্রহণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়েও তাঁর সফরে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে।

তবে মোদির সঙ্গে বৈঠকের পর রাহুল গান্ধীর সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ নতুন একটি রাজনৈতিক মাত্রা তৈরি করেছে। যদিও বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে বিরোধী দলের নেতার সাক্ষাৎকে সরাসরি কোনও রাজনৈতিক অবস্থানের সঙ্গে যুক্ত করা যায় না, তবু ঘটনাটি ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিসরেও যথেষ্ট আগ্রহ তৈরি করেছে।

‘বন্ধু’ রাহুলের সঙ্গে সম্পর্ক নতুন নয়

আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে রাহুল গান্ধীর এই সাক্ষাৎ অবশ্য প্রথম নয়। এর আগেও ভারত সফরের সময় তাঁদের দেখা হয়েছে। ফলে রবিবারের প্রাতরাশকে একেবারে আকস্মিক সৌজন্য সাক্ষাৎ হিসেবে দেখার পাশাপাশি দীর্ঘদিনের পরিচয়ের ধারাবাহিকতা হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

রাহুলের সঙ্গে আনোয়ারের যোগাযোগের পাশাপাশি গান্ধী পরিবারের সঙ্গেও তাঁর রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত পরিচিতির প্রসঙ্গ সামনে এসেছে। সেই সম্পর্কের সূত্রেই এদিনের সাক্ষাতে স্বচ্ছন্দ পরিবেশ তৈরি হয়েছিল বলে মনে করা হচ্ছে।

প্রকাশিত ছবিতেও তার প্রতিফলন দেখা গিয়েছে। কোনও আনুষ্ঠানিক বৈঠকের কঠোর পরিবেশের বদলে প্রাতরাশের টেবিলে হাসিমুখে কথাবার্তা বলতে দেখা যায় তাঁদের।

মনমোহন সিংয়ের স্মৃতিও তুলে ধরলেন আনোয়ার

রাহুল ও প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে সাক্ষাতের পাশাপাশি ভারতের প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের প্রতিও শ্রদ্ধা জানিয়েছেন আনোয়ার ইব্রাহিম।

২০২৪ সালের ডিসেম্বরে মনমোহন সিংয়ের মৃত্যুর পর তাঁকে ‘প্রিয় বন্ধু’ হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী। ভারতের অর্থনৈতিক পরিবর্তনে মনমোহনের ভূমিকারও প্রশংসা করেছিলেন তিনি।

রবিবার ফের মনমোহনের সঙ্গে নিজের পুরনো সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন আনোয়ার। তাঁর বক্তব্যে উঠে এসেছে নব্বইয়ের দশকের স্মৃতি। সেই সময় তিনি মালয়েশিয়ার অর্থমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন এবং ভারতের অর্থনৈতিক সংস্কারের দিকে ঘনিষ্ঠ নজর রেখেছিলেন বলে জানিয়েছেন।

মনমোহন সিং তখন ভারতের অর্থনৈতিক সংস্কারের অন্যতম প্রধান মুখ। সেই সময়ের পরিবর্তনগুলি কীভাবে ভারতের অর্থনীতিকে নতুন পথে নিয়ে যাচ্ছিল, তা আনোয়ার কাছ থেকে কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করেছিলেন বলে জানিয়েছেন।

জেলবন্দি আনোয়ারের পরিবারের পাশে থাকার প্রস্তাব

মনমোহনের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের একটি ব্যক্তিগত স্মৃতিও তুলে ধরেছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী। মালয়েশিয়ায় রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় আনোয়ার জেলে ছিলেন। সেই সময় তাঁর সন্তানদের পড়াশোনার খরচ বহনের প্রস্তাব মনমোহন দিয়েছিলেন বলে দাবি করেছেন তিনি।

আনোয়ারের বক্তব্য অনুযায়ী, এমন প্রস্তাব দেওয়ার ক্ষেত্রে মনমোহনের নিজের দেশের সঙ্গে মালয়েশিয়ার সম্পর্কের কথা বিবেচনা করে রাজনৈতিক ঝুঁকিও থাকতে পারত। কিন্তু তা সত্ত্বেও তিনি সাহায্যের হাত বাড়িয়েছিলেন।

আনোয়ারের স্মৃতিচারণে মনমোহনের ব্যক্তিত্বের একটি মানবিক দিকই উঠে এসেছে। তাঁর মতে, নিজের স্বাভাবিক সৌজন্য এবং মানবিকতার জায়গা থেকেই মনমোহন এই উদ্যোগ নিয়েছিলেন।

এই স্মৃতির সূত্র ধরেই রাহুল গান্ধীর সঙ্গে তাঁর বর্তমান সম্পর্কের প্রসঙ্গও নতুন করে সামনে এসেছে।

ব্রিকসের মঞ্চে ভারতের সঙ্গে মালয়েশিয়ার নতুন অধ্যায়?

ব্রিকসের সাম্প্রতিক সম্প্রসারণের প্রেক্ষাপটে মালয়েশিয়ার উপস্থিতিও বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। অর্থনীতি, বাণিজ্য এবং উন্নয়নশীল দেশগুলির মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির প্রশ্নে এই জোটের ভূমিকা ক্রমশ বাড়ছে।

ভারত ও মালয়েশিয়া—দুই দেশই এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক শক্তি। ফলে ব্রিকসের মতো বহুপাক্ষিক মঞ্চে তাঁদের মধ্যে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরি হতে পারে।

এর পাশাপাশি ASEAN-এর সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের ক্ষেত্রেও মালয়েশিয়ার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তাই আনোয়ারের সফরকে শুধু একটি সম্মেলনে অংশগ্রহণ হিসেবে দেখলে বিষয়টির পুরো কূটনৈতিক গুরুত্ব ধরা পড়বে না।

শাসক-বিরোধী দু’পক্ষের সঙ্গেই যোগাযোগ কেন গুরুত্বপূর্ণ?

ভারতের মতো গণতান্ত্রিক দেশে বিদেশি রাষ্ট্রনেতাদের সরকারি নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করাই স্বাভাবিক। তবে কোনও বিদেশি নেতা একই সফরে বিরোধী দলের শীর্ষ নেতার সঙ্গেও দেখা করলে তা কূটনৈতিক সৌজন্যের পাশাপাশি রাজনৈতিক যোগাযোগের দিক থেকেও আলোচনায় আসে।

আনোয়ারের ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ রাহুল গান্ধীর সঙ্গে তাঁর আগের পরিচয় রয়েছে। আবার প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গেও তাঁর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।

অর্থাৎ ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে মালয়েশিয়া যে শুধুমাত্র কোনও একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যোগাযোগ সীমাবদ্ধ রাখতে চাইছে না, এই সফরের কর্মসূচি থেকে অন্তত সেই বার্তা পাওয়া যাচ্ছে। তবে এটিকে কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক অবস্থানের সমর্থন হিসেবে ব্যাখ্যা করার সুযোগ নেই।

বাণিজ্য ও প্রযুক্তিতে সহযোগিতার সম্ভাবনা

মোদির সঙ্গে বৈঠকে বাণিজ্য এবং সেমিকন্ডাক্টর নিয়ে আলোচনা হওয়া ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক সহযোগিতার দিকটিও সামনে এনেছে।

বর্তমানে বিশ্বজুড়ে সেমিকন্ডাক্টর সরবরাহ ব্যবস্থাকে ঘিরে নতুন সমীকরণ তৈরি হচ্ছে। ভারতও এই ক্ষেত্রে নিজের উৎপাদন ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়াতে চাইছে। মালয়েশিয়া আবার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ইলেকট্রনিক্স ও সেমিকন্ডাক্টর সরবরাহ ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে।

ফলে দুই দেশের মধ্যে এই ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়লে তা শুধু দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য নয়, বৃহত্তর এশীয় সরবরাহ ব্যবস্থার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

পরিকাঠামো এবং প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রেও সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা দুই দেশের কৌশলগত সম্পর্ককে আরও বিস্তৃত করার সম্ভাবনা তৈরি করছে।

ব্রিকস সম্মেলনের বাইরে রাজনৈতিক বার্তা

আনোয়ারের রাহুল-প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে প্রাতরাশের ছবি প্রকাশ্যে আসার পর সোশাল মিডিয়ায় নানা ধরনের রাজনৈতিক ব্যাখ্যা শুরু হয়েছে। কেউ এটিকে ভারতের বিরোধী শিবিরের সঙ্গে মালয়েশিয়ার ঘনিষ্ঠতার ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন, আবার অন্যরা এটিকে দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত যোগাযোগের স্বাভাবিক ধারাবাহিকতা বলছেন।

তবে কূটনীতির ক্ষেত্রে রাষ্ট্রনেতাদের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধির সঙ্গে যোগাযোগ রাখা অস্বাভাবিক নয়। বিশেষ করে ভবিষ্যতের সম্পর্কের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক পরিবর্তনের সম্ভাবনা মাথায় রেখে বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখা অনেক দেশেরই প্রচলিত কৌশল।

তাই আনোয়ারের এই সাক্ষাৎকে শুধুমাত্র ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির চশমায় দেখার বদলে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বৃহত্তর প্রেক্ষাপটেও দেখা প্রয়োজন।

দিল্লি সফরে উঠে এল সম্পর্কের একাধিক স্তর

একদিকে মোদির সঙ্গে বৈঠকে রাষ্ট্রীয় ও কৌশলগত সহযোগিতার আলোচনা, অন্যদিকে রাহুল-প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক প্রাতরাশ এবং মনমোহন সিংয়ের স্মৃতিচারণ—আনোয়ার ইব্রাহিমের ভারত সফরে সম্পর্কের একাধিক স্তর সামনে এসেছে।

মালয়েশিয়ার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক যেমন রাষ্ট্রীয় স্তরে এগোচ্ছে, তেমনই দুই দেশের রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত যোগাযোগের পুরনো সূত্রও সক্রিয় রয়েছে। এই সফরে সেই দুই দিকই পাশাপাশি দেখা গেল।

সব মিলিয়ে, ব্রিকস সম্মেলনের ব্যস্ততার মধ্যেও আনোয়ার ইব্রাহিমের রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর সঙ্গে সাক্ষাৎ রাজনৈতিক মহলের নজর কেড়েছে। মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার আলোচনা এবং পরদিন বিরোধী দলনেতার সঙ্গে প্রাতরাশ—দুই ঘটনাই দেখিয়ে দিল, ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে মালয়েশিয়া একাধিক স্তরে যোগাযোগ বজায় রাখছে। আর মনমোহন সিংয়ের সঙ্গে পুরনো স্মৃতি সেই সম্পর্ককে দিয়েছে আরও ব্যক্তিগত মাত্রা।

Advertisement
#6
Advertisement
#7
Advertisement
#8
Advertisement
#9
Advertisement
#10