Home/India/কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে প্রশ্ন, জ্ঞানেশ কুমারের ভূমিকা নিয়ে মামলার শুনানি আগামী সপ্তাহে
Advertisement
#16
Advertisement
#17
Advertisement
#18
Advertisement
#19
Advertisement
#20

কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে প্রশ্ন, জ্ঞানেশ কুমারের ভূমিকা নিয়ে মামলার শুনানি আগামী সপ্তাহে

নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে দায়ের হওয়া মামলা এবার পৌঁছল সুপ্রিম কোর্টে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এককভাবে কমিশনের ক্ষমতা প্রয়োগ করেছেন কি না, সেই অভিযোগ খতিয়ে দেখতে মামলাটি আগামী সপ্তাহে শুনবে শীর্ষ আদালত। মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চে মামলাটি উল্লেখ করেন প্রবীণ আইনজীবী বিকাশ সিং। আবেদনকারীর অভিযোগ, নির্বাচন কমিশন একটি বহু সদস্যের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হওয়ায় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সামষ্টিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের নীতি অনুসরণ করা উচিত। অন্যদিকে, কমিশন জানিয়েছে, SIR-সহ তাদের সব সিদ্ধান্তই সর্বসম্মতভাবে নেওয়া হয়েছে।

Joyjit Sengupta

Joyjit Sengupta

Author from Orange Prime News

Sep 29, 2026
•5 min read•
20
Share:
কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে প্রশ্ন, জ্ঞানেশ কুমারের ভূমিকা নিয়ে মামলার শুনানি আগামী সপ্তাহে

জ্ঞানেশ কুমারের ভূমিকা নিয়ে কেন প্রশ্ন?

বিশেষ নিবিড় ভোটার তালিকা সংশোধন বা SIR-কে ঘিরে গত কয়েক মাস ধরেই নির্বাচন কমিশনের কাজকর্ম নিয়ে বিতর্ক চলছে। ভোটার তালিকা সংশোধন, ডেটাবেস ব্যবস্থাপনা এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে কমিশনের দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তির খবর প্রকাশ্যে আসার পর সেই বিতর্ক আরও বাড়ে।

এই আবহেই সুপ্রিম কোর্টে নতুন মামলা দায়ের হয়েছে। সেখানে মূল প্রশ্ন তোলা হয়েছে, কমিশনের সাংবিধানিক ক্ষমতা কি প্রধান নির্বাচন কমিশনার এককভাবে প্রয়োগ করতে পারেন?

আবেদনকারীর বক্তব্য, সংবিধানের ৩২৪ নম্বর অনুচ্ছেদে নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ ক্ষমতাটি কোনও একজন ব্যক্তির নয়, প্রতিষ্ঠানটির। তাই কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে বহু সদস্যের অংশগ্রহণ এবং আইন অনুযায়ী নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা আদালতের খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

মঙ্গলবার বিষয়টি প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চে উল্লেখ করা হয়। শীর্ষ আদালত আগামী সপ্তাহে মামলাটি শুনতে সম্মত হয়েছে।

কী অভিযোগ রয়েছে মামলায়?

মামলাকারীর মূল বক্তব্য, নির্বাচন কমিশন একটি বহু সদস্যের সাংবিধানিক সংস্থা। ফলে কমিশনের ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রেও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে সংখ্যাগরিষ্ঠতা বা সর্বসম্মতির সাংবিধানিক কাঠামো গুরুত্বপূর্ণ।

মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে কমিশনের নামে এমন কিছু সিদ্ধান্ত সামনে এসেছে, যেগুলি নিয়ে কমিশনের অন্য সদস্যদের আপত্তি ছিল। সেই পরিস্থিতিতে কোনও সিদ্ধান্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনারের একক উদ্যোগে নেওয়া হয়েছিল কি না, সেটিই আদালতের সামনে প্রশ্ন হিসেবে রাখা হয়েছে।

এই মামলায় শুধু SIR নয়, ভোটার ডেটাবেস এবং নির্বাচন কমিশনের প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। আবেদনকারীর দাবি, কমিশনের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের নথি পরীক্ষা করলে বোঝা যাবে কোন সিদ্ধান্ত কীভাবে নেওয়া হয়েছিল।

মামলাকারী আরও জানতে চেয়েছেন, যদি কমিশনের ক্ষমতা সমষ্টিগতভাবে প্রয়োগ করার কথা থাকে, তাহলে কোনও একজন কমিশনার কীভাবে সেই ক্ষমতার প্রতিনিধিত্ব বা প্রয়োগ করতে পারেন।

তবে এগুলি মামলাকারীর অভিযোগ ও আইনি দাবি। সুপ্রিম কোর্ট এখনও এই অভিযোগের সত্যতা বা জ্ঞানেশ কুমারের কোনও বেআইনি পদক্ষেপ হয়েছে কি না, সে বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত দেয়নি।

SIR নিয়ে আগেই প্রকাশ্যে এসেছিল মতপার্থক্যের খবর

এই মামলার পটভূমিতে রয়েছে নির্বাচন কমিশনের অভ্যন্তরীণ কাজকর্ম নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্ক। Indian Express-এর একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক জোশী গত প্রায় ১০ মাসে অন্তত ১৪টি ক্ষেত্রে কমিশনের সিদ্ধান্ত বা পদক্ষেপ নিয়ে লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন।

সেই রিপোর্টে ভোটার তালিকায় নাম যোগ-বিয়োগ, Form 6-এর পরিবর্তন, ভোটার ডেটাবেসের নিয়ন্ত্রণ এবং কমিশনের প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা-সহ একাধিক বিষয় উঠে আসে।

বিশেষ করে ভোটার তালিকার ডেটাবেস ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। রিপোর্ট অনুযায়ী, কিছু ক্ষেত্রে মাঠপর্যায়ের আধিকারিকদের ভোটার ডেটাবেসে পরিবর্তন করার ক্ষমতা সীমিত হওয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছিল।

এই খবর প্রকাশ্যে আসার পরই কমিশনের অভ্যন্তরে সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতি নিয়ে রাজনৈতিক ও আইনি বিতর্ক আরও তীব্র হয়।

কমিশনের পালটা বক্তব্য কী?

নির্বাচন কমিশন অবশ্য এই অভিযোগের ব্যাখ্যা দিয়েছে। কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, SIR-সহ গত এক বছরে নেওয়া কমিশনের সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তই তিন নির্বাচন কমিশনারের অনুমোদন নিয়ে এবং সর্বসম্মতভাবে নেওয়া হয়েছে।

কমিশনের বক্তব্য, দুই নির্বাচন কমিশনার কিছু সিদ্ধান্তের খসড়া বা প্রশাসনিক প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন, মতামত বা পরামর্শ দিয়েছিলেন। কিন্তু সেগুলিকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের বিরোধিতা হিসেবে দেখা ঠিক নয়।

একই বক্তব্যে কমিশন জানিয়েছে, সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে অভ্যন্তরীণ আলোচনা হওয়া স্বাভাবিক প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার অংশ। সেই আলোচনায় প্রশ্ন বা সংশোধনের প্রস্তাব থাকলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে তিন কমিশনারের সম্মতি ছিল।

ফলে মামলাটির একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হবে—অভ্যন্তরীণ নথিতে থাকা আপত্তিগুলির প্রকৃতি কী ছিল এবং সেগুলি চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের বিরোধিতা হিসেবে গণ্য হবে কি না।

ভোটার ডেটাবেস নিয়েও আদালতে প্রশ্ন

মামলায় ভোটার তালিকার ডেটাবেস নিয়ন্ত্রণের বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে।

সাম্প্রতিক বিতর্কে ভোটার ডেটাবেসে কারা পরিবর্তন করতে পারেন, কেন্দ্রীয় স্তরে প্রযুক্তিগত নিয়ন্ত্রণ কতটা কেন্দ্রীভূত এবং মাঠপর্যায়ের আধিকারিকদের ভূমিকা কী—এসব প্রশ্ন উঠে এসেছে।

Indian Express-এর প্রতিবেদনে গোয়ার একটি ঘটনার কথাও উল্লেখ করা হয়েছিল, যেখানে যোগ্য বলে বিবেচিত কিছু ভোটারের তথ্য সফটওয়্যার ব্যবস্থার কারণে নথিভুক্ত করার ক্ষেত্রে সমস্যা হয়েছিল বলে অভিযোগ করা হয়।

এই ধরনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন পরবর্তীতে ভোটার-তালিকা সংক্রান্ত সফটওয়্যার ও প্রযুক্তিগত ব্যবস্থার পর্যালোচনার উদ্যোগ নেয়। Reuters-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, কমিশন সফটওয়্যার ব্যবস্থার আইনি ও প্রযুক্তিগত সামঞ্জস্য খতিয়ে দেখতে একটি পর্যালোচনা ব্যবস্থাও তৈরি করেছে।

সিদ্ধান্ত কি সর্বসম্মত ছিল, নাকি আপত্তি ছিল?

বর্তমান বিতর্কের কেন্দ্রে আসলে এই প্রশ্নটিই রয়েছে।

একদিকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দুই নির্বাচন কমিশনারের একাধিক আপত্তির কথা বলা হয়েছে। অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য, ওই আপত্তিগুলি মূলত খসড়া পর্যায়ের প্রশ্ন, প্রশাসনিক মতামত বা পরামর্শ ছিল এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় তিন কমিশনারের সম্মতি ছিল।

কমিশন আরও জানিয়েছে, আইন ও সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী যতটা সম্ভব সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং সর্বসম্মতি সম্ভব না হলে সংখ্যাগরিষ্ঠ মত কার্যকর হতে পারে।

ফলে সুপ্রিম কোর্টের সামনে শুধু রাজনৈতিক অভিযোগ নয়, সিদ্ধান্ত গ্রহণের সাংবিধানিক ও আইনি পদ্ধতির প্রশ্নও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

SIR নিয়েও আদালতের নজর

মামলাটির গুরুত্বের আরেকটি কারণ SIR বা Special Intensive Revision। ভোটার তালিকার এই বিশেষ সংশোধন নিয়ে ইতিমধ্যেই একাধিক আইনি প্রশ্ন আদালতে উঠেছে।

বর্তমান মামলায় আবেদনকারীর বক্তব্য, SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রেও কমিশনের সামষ্টিক ক্ষমতা কীভাবে প্রয়োগ করা হয়েছিল, তা পরীক্ষা করা প্রয়োজন।

তবে নির্বাচন কমিশন বলেছে, ২০২৫ সালের ২৪ জুন SIR সংক্রান্ত নির্দেশ জারি করার সিদ্ধান্তও কমিশনের তিন সদস্যের সম্মতিতেই নেওয়া হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এই প্রক্রিয়া সম্প্রসারিত হয়েছে।

ফলে আগামী সপ্তাহের শুনানিতে SIR-এর পাশাপাশি কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাঠামোও আলোচনার কেন্দ্রে থাকতে পারে।

আদালত কী কী খতিয়ে দেখতে পারে?

মামলাটি শুনতে গিয়ে সুপ্রিম কোর্ট চাইলে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পর্কিত নথি দেখতে চাইতে পারে। কোন সিদ্ধান্তের আগে কী আলোচনা হয়েছিল, কারা মতামত দিয়েছিলেন এবং চূড়ান্ত অনুমোদন কীভাবে দেওয়া হয়েছিল—এসব প্রশ্ন গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

একইসঙ্গে সংবিধানের ৩২৪ নম্বর অনুচ্ছেদ এবং ২০২৩ সালের Chief Election Commissioner and Other Election Commissioners Act-এর সংশ্লিষ্ট বিধান কীভাবে প্রয়োগ হবে, সেটিও আলোচনায় আসতে পারে।

তবে আদালত শুনানি শুরুর পরই মামলার পরিধি এবং কী কী প্রশ্নে নোটিস দেওয়া হবে, তা আরও স্পষ্ট হবে। এখনই আদালত কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছে গিয়েছে—এমন দাবি করার সুযোগ নেই।

কমিশনের অভ্যন্তরীণ ঐক্যের বার্তাও সামনে

অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্যের খবরের মধ্যেই গত কয়েকদিনে তিন নির্বাচন কমিশনারকে একসঙ্গে দেখা গিয়েছে। কমিশনের তরফে প্রকাশ্যে জানানো হয়েছে, SIR নিয়ে কোনও চূড়ান্ত মতবিরোধ নেই এবং গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলি সর্বসম্মতভাবেই নেওয়া হয়েছে।

২৬ সেপ্টেম্বর কমিশনারদের বৈঠকের পর ভোটার নিবন্ধন, Form 6, ডেটাবেস এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়ে কয়েকটি সিদ্ধান্তও সামনে আসে। উদ্দেশ্য হিসেবে স্বচ্ছতা ও সমন্বয় বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে।

অর্থাৎ একদিকে আদালতে কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, অন্যদিকে কমিশন নিজের অভ্যন্তরীণ ঐক্য ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের বৈধতা নিয়ে প্রকাশ্যে অবস্থান স্পষ্ট করেছে।

আগামী সপ্তাহের শুনানিতে নজর কোথায়?

এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে সুপ্রিম কোর্টের পরবর্তী শুনানি। মামলাটি গ্রহণ করে আদালত ইতিমধ্যেই বিষয়টির বিচারিক পরীক্ষা শুরু করার পথ খুলেছে।

শুনানিতে কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের সাংবিধানিক কাঠামো, CEC-এর ক্ষমতার পরিধি, দুই নির্বাচন কমিশনারের কথিত আপত্তির প্রকৃতি এবং SIR ও ভোটার ডেটাবেস সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত—সবই আলোচনায় আসতে পারে।

তবে মামলার ফলাফল বা আদালতের পর্যবেক্ষণ এখনই অনুমান করা সম্ভব নয়। আদালত কী নির্দেশ দেয়, নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে কী ব্যাখ্যা চায় এবং মামলাটি কোন পর্যায়ে যায়—সেটিই পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

সব মিলিয়ে, নির্বাচন কমিশনের কাজকর্ম নিয়ে চলা বিতর্ক এবার বিচার বিভাগের সামনে পৌঁছেছে। মামলাকারীর অভিযোগ একদিকে, কমিশনের সর্বসম্মতির দাবি অন্যদিকে। আগামী সপ্তাহে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চে শুনানির পর এই বিতর্কের আইনি দিক আরও স্পষ্ট হতে পারে।

Tags:India
Advertisement
#6
Advertisement
#7
Advertisement
#8
Advertisement
#9
Advertisement
#10