কেন ভারতকে তেল দেওয়া বন্ধ করল Aramco?
Saudi Aramco-র সিদ্ধান্তের নেপথ্যে রয়েছে Saudi Arabia-র তেল পরিবহণ পরিকাঠামোয় বড়সড় ধাক্কা। দেশটির ১,২০০ কিলোমিটার দীর্ঘ East-West Pipeline সাম্প্রতিক drone attack-এর পর সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এই পাইপলাইন Saudi oil-কে Persian Gulf-এর দিক থেকে Red Sea উপকূলের Yanbu-র দিকে নিয়ে যাওয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প পথ।
Strait of Hormuz-এ যুদ্ধের কারণে জাহাজ চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার পর এই pipeline Saudi Arabia-র জন্য আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিল। কিন্তু সেটিও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় Riyadh-কে crude movement নতুন করে সাজাতে হচ্ছে।
Reuters-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, pipeline-এর তিনটি pumping station ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং সেটি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হয়েছে। পুরো capacity কবে ফিরবে, তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে।
হাউথিদের হামলা, নাকি অন্য হামলা?
এই ঘটনায় একটি বিষয় আলাদা করে গুরুত্বপূর্ণ। মূল East-West Pipeline-এর উপর যে drone attack হয়েছিল, সেটিকে সরাসরি Houthi হামলা হিসেবে নিশ্চিত করা হয়নি। Reuters জানিয়েছে, হামলাটি Iraq থেকে হয়েছে বলে Saudi Arabia ও Iraq-এর পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল এবং Iranian-backed Iraqi militias-এর দিকেও সন্দেহের ইঙ্গিত রয়েছে।
অন্যদিকে একই সময়ে Yemen-এর Iran-backed Houthi বাহিনী Saudi Arabia-র বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে drone ও missile হামলা চালিয়েছে। ফলে Red Sea এবং Bab el-Mandeb অঞ্চলেও জ্বালানি পরিবহণ নিয়ে ঝুঁকি বেড়েছে।
অর্থাৎ Saudi oil supply disruption-এর পিছনে মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক সামরিক ঘটনার প্রভাব রয়েছে। শুধু একটি হামলাকে এর একমাত্র কারণ হিসেবে দেখলে পরিস্থিতির পুরো ছবি ধরা পড়বে না।
ভারতের রিফাইনারিগুলির জন্য কী বার্তা?
Aramco-র সিদ্ধান্তের সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে Indian refiners-এর উপর। Economic Times-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, Saudi Aramco ভারতীয় রিফাইনারিগুলিকে জানিয়েছে যে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত crude supply করা হবে না।
তবে এর অর্থ এই নয় যে ভারতের refinery-গুলি হঠাৎ করে crude ছাড়া হয়ে যাবে। ভারত বিশ্বের অন্যতম বড় crude importer এবং বিভিন্ন দেশ থেকে তেল কেনে। Saudi supply কমে গেলে অন্য উৎস থেকে cargo সংগ্রহ করার সুযোগ রয়েছে।
সমস্যা হচ্ছে, এই বিকল্প crude তুলনামূলক বেশি দামে কিনতে হতে পারে। একইসঙ্গে Middle East-এর shipping risk বেড়ে যাওয়ায় freight এবং insurance cost-ও বাড়ছে। ফলে একই পরিমাণ crude কিনতে ভারতীয় সংস্থাগুলিকে বেশি অর্থ ব্যয় করতে হতে পারে।
Saudi oil-এর বিকল্প কি মিলবে?
এই মুহূর্তে বাজারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলির একটি হল—Saudi crude না পেলে ভারত কোথা থেকে তেল পাবে?
প্রাথমিকভাবে বাজারে বিকল্প crude-এর ব্যবস্থা করা সম্ভব বলেই শিল্পমহলের ধারণা। তবে সেই তেল কোথা থেকে আসছে এবং কোন route দিয়ে ভারতে পৌঁছচ্ছে, তার উপর খরচ অনেকটাই নির্ভর করবে।
Economic Times জানিয়েছে, Saudi Arabia কিছু spot cargo trader-দের কাছে বিক্রি করেছে। সেই crude-এর একটি অংশ Hormuz-এর মাধ্যমে ভারতীয় রিফাইনারিতে পৌঁছতে পারে।
এছাড়াও কিছু trader Iraq-এর crude তুলনামূলক কম দামে কিনে Hormuz পার করে Oman-এর দিকে নিয়ে গিয়ে ship-to-ship transfer-এর মাধ্যমে ভারতসহ অন্যান্য ক্রেতার কাছে পাঠাচ্ছেন বলে জানা গিয়েছে।
এই ধরনের বিকল্প supply route চালু থাকলেও এতে অতিরিক্ত logistics cost তৈরি হয়।
তেলের দাম বাড়লে ভারতের উপর কী প্রভাব?
ভারতের অর্থনীতির ক্ষেত্রে crude oil-এর দাম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ দেশের জ্বালানি চাহিদার বড় অংশ আমদানির মাধ্যমে পূরণ করতে হয়।
বিশ্ববাজারে crude-এর দাম বাড়লে প্রথমে চাপ পড়ে oil marketing companies এবং refiners-এর উপর। পরে পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে petrol, diesel, aviation fuel এবং অন্যান্য petroleum products-এর দাম নিয়েও চাপ তৈরি হতে পারে।
তবে crude-এর আন্তর্জাতিক দাম বাড়লেই সঙ্গে সঙ্গে দেশে petrol-diesel-এর দাম একই হারে বেড়ে যাবে—এমন সরাসরি সমীকরণ নেই। Refinery margins, rupee-dollar exchange rate, government taxation এবং oil companies-এর pricing decisions-ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়।
এই মুহূর্তে তাই সবচেয়ে তাৎক্ষণিক সমস্যা হল ভারতীয় refiners-এর জন্য replacement crude-এর দাম এবং transport cost বেড়ে যাওয়া।
Brent crude-এর দামেও চাপ
Saudi supply disruption এবং Middle East-এর সামরিক পরিস্থিতির প্রভাব বিশ্ব তেল বাজারেও দেখা গিয়েছে। ১৭ সেপ্টেম্বর Brent crude-এর দাম $100-এর উপরে ছিল। তবে Saudi Arabia বিকল্প পথে crude supply বাড়ানোর চেষ্টা করছে এবং pipeline-এর কিছু capacity ফেরানোর উদ্যোগ নেওয়ায় বাজারে আতঙ্ক কিছুটা কমেছে।
Reuters-এর সর্বশেষ বাজার আপডেট অনুযায়ী, Saudi Arabia East-West Pipeline-এর প্রায় অর্ধেক capacity ফেরানোর চেষ্টা করছে এবং Oman হয়ে Asia-য় crude shipment বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। ফলে সরবরাহ সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ার আশঙ্কা কিছুটা কমেছে।
তবে Middle East-এর সামরিক পরিস্থিতি এখনও অস্থির। ফলে crude supply নিয়ে অনিশ্চয়তা পুরোপুরি কাটেনি।
Saudi Arabia-র বিকল্প পথ কতটা কার্যকর?
East-West Pipeline Saudi Arabia-র জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি Persian Gulf-এর maritime route এড়িয়ে crude Red Sea-র দিকে নিয়ে যেতে পারে। Hormuz-এ জাহাজ চলাচল কমে যাওয়ার পরিস্থিতিতে এই route-এর গুরুত্ব আরও বেড়েছিল।
কিন্তু pipeline ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় Saudi Arabia-কে এখন crude export-এর জন্য বিকল্প maritime routes ব্যবহার করতে হচ্ছে। Al Jazeera-র বিশ্লেষণ অনুযায়ী, Saudi Arabia Oman-এর কাছে ship-to-ship transfer-সহ বিভিন্ন বিকল্প পদ্ধতিতে crude সরবরাহ করার চেষ্টা করছে।
এই ব্যবস্থা সাময়িকভাবে supply chain সচল রাখতে পারে। কিন্তু স্বাভাবিক pipeline-based transport-এর তুলনায় এর খরচ ও operational complexity বেশি।
ভারত কি তেল সংকটে পড়বে?
এখনই ভারতকে সরাসরি তেল সংকটের মুখে পড়েছে বলা ঠিক হবে না। Saudi supply বন্ধ হলেও ভারতীয় refiners-এর কাছে অন্য উৎস থেকে crude সংগ্রহের সুযোগ রয়েছে। কিন্তু দীর্ঘদিন Saudi supply স্বাভাবিক না হলে replacement crude-এর খরচ বাড়তে পারে।
এছাড়া Middle East-এর অন্যান্য route-ও যদি দীর্ঘদিন অস্থির থাকে, তাহলে international freight rates, insurance premiums এবং crude prices আরও বাড়তে পারে। তখন ভারতীয় অর্থনীতির উপর আমদানি ব্যয়ের চাপ তৈরি হবে।
অর্থাৎ এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় ঝুঁকি তেল না পাওয়া নয়, বরং তেল বেশি দামে পাওয়া।
সামনে নজর East-West Pipeline-এ
Saudi Arabia কত দ্রুত East-West Pipeline-এর ক্ষতিগ্রস্ত অংশ মেরামত করতে পারে, সেটিই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলির একটি। Reuters-এর রিপোর্টে industry sources-এর কয়েকজন repair-এর জন্য কয়েক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে বলে অনুমান করেছেন, যদিও আংশিকভাবে supply দ্রুত ফেরার সম্ভাবনাও রয়েছে।
Pipeline-এর কার্যক্ষমতা যত দ্রুত ফিরবে, Saudi crude supply chain-ও তত দ্রুত স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। একইসঙ্গে Hormuz ও Red Sea অঞ্চলে সামরিক পরিস্থিতির উন্নতি হলে shipping risk কমবে।
ততদিন ভারতীয় refiners-কে বিকল্প crude, spot cargo এবং নতুন shipping route-এর উপর নির্ভর করতে হতে পারে।
সব মিলিয়ে, Saudi Aramco-র ভারতীয় refiners-কে crude supply স্থগিত করার সিদ্ধান্ত দেশের জ্বালানি বাজারে নতুন চাপ তৈরি করেছে। তবে এটিকে এখনই ভারতের তেল সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনা হিসেবে দেখা যাচ্ছে না। বিকল্প crude পাওয়া সম্ভব হলেও তার দাম ও পরিবহণ খরচ বেশি হতে পারে। Middle East-এর যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং Saudi pipeline-এর মেরামতির গতিই শেষ পর্যন্ত ঠিক করবে ভারতের জন্য এই চাপ কতটা দীর্ঘস্থায়ী হয়।



